<

ইকবাল হোসেন বাল্মীকি's Posts (70)


---------------------------------
 আমাদের বাংলা আমার লেখা লেখির ব্লগ গুলার মধ্যে অন্যতম । যেহেতু ইহার সাথে আমার অনেক সুহৃদ , অগ্রজ , অনুজ ও সর্বপরি ডায়াস্পোর কবি বন্ধুরা জড়িত , এইখান কার খাদ্য , অখাদ্য এবং সুখাদ্য সব কিছুকেই আমি সরল বাংলায় ভালবাসি । অনেকটা ভক্তের মতো । গুরু ভক্তের মাথায় বাঢ়ি দিয়ে রক্তে রঞ্জিত করিয়াছেন , কিন্তু ভাক্ত ভাবে রক্তে রঙ্গিলা করিয়াছেন । সুতরাং এখানকার কবি সাহিত্যিক দের আঘাত , খুঁচা, দা ,বটি, ড্যাগার , বন্দুক সকলই গোলাপের মতো । তাই বলি কি,  হে কবি ও চিন্তামনিরা , মান্যবর আব্দুল গফফার চৌধুরী কে নিয়া আপনেরা যে বির্তকের গোলাপ ও কাঁটা ফলাইতেছেন , তা একেবারে ফেলনা নয় । উভয়ই বৃক্ষের জন্য অপরিহার্য।কিন্তু এতো রাজনীতি সংলগ্ন কেন? এতো বিভক্তি কেন?   

আমি কিন্তুক লেখক বা কবি এর কোনটাই নই। বিনয়ের জন্য বলছি না । আমার বাতিলত্ব বলছি । কৈশোরে যৌবনে পত্রিকার পাতায় কবিতা না লিখে লিখেছি ব্যাক্তিগত ডায়েরীতে । লিখতে লিখতে বুঝতে পেরেছি জীবন ও কবিতা জীবিতের পক্ষে লিখা সম্ভব নয় । প্রিয় কবি ‘দেলওয়ার হোসেন মঞ্জুর’  কাব্যিক দর্শন মতে জীবিত মানুষ কবিতা লিখতে পারে না । মানুষ কবিতা লিখে মৃত্যুর পর। তখন আমার ডায়েরির কবিতা গুলো হবে মৃত মানুষের কবিতা । প্রকৃত কবিতা । আমার অস্থিত্ব হবে প্রকৃত কবি । আমার আজকের বয়ান একজন অপ্রকৃত কবির বয়ান রূপে গণ্য হইলে নগন্য আমি ফুলসিরাত পার হয়ে যাই । যেহেতু এই তর্কযুদ্ধে আমার বয়ান রাখা এই জন্য দরকার হয়তো চাঠির জন্য কেউ অপেক্ষা করিতেছেন আমার ওয়াজের জন্য নয় । কিন্তু ভাই আমি যে তোমার চাঠির উপর বাসা , আমি উঠলে তো তুমি বাড়ি যাবা ? অতএব তুমি আমার বক্তিমা বোঝ আর না বোঝ , শোন আর না শোন , শ্রোতা  হইয়া থাক । আমি বক্তৃতা জাড়ি।

আ গা চৌ যাহা বলিয়াছেন যদি তিনি আ গা চৌ না হইয়া বলিতেন তাইলে আমার কোন অসুবিধা ছিল না । বিদ্যমান বাংলার রাজনৈতিক চিন্তাকুল শিরমনি আ গা চৌ কোন অ্যাকাডেমিক বক্তব্য রাখেন নাই । অ্যাকাডেমিক বক্তব্য এই রকম হইতে পারে না ।কোনপ্রকার দালিলিক উদ্ধৃতি সংযুক্তি টিকা টিপ্পনী সুত্র ও মুসাবিদা ব্যাতিরেখে তিনি এমুন বক্তব্য দিয়াছেন , তবে ইহা বক্তব্য, কিন্তু রাজনৈতিক । আমি উনার রাজনৈতিক বক্তব্য কে রাজনীতির কারণে সমর্থন করিতে পারি না । উনি যে রাজনীতি করেন সেই রাজনীতিকে উনি বিপদে ফেলিয়াছেন ।এইতো কিছুদিন আগে যে রাজনীতিবিদের মাথায় হাত রাখিয়া মানপত্র পাঠ করিলেন, উনাকেই তিনি বিপদ গ্রস্থ করিলেন। আমি এই জন্য তাঁর বক্তব্যকে হঠকারী এবং হুজুগে বলিতে বাধ্য । কেউ যদি এখন আ গা চৌ কে দেবতা মানিয়া আমার কল্লা বিক্র্য় করিতে চাহেন, তাইলে বলব হে সেকুলারিস্ট আপনিও পথ হারাইয়াছেন ।আওয়ামী  সেকুলারিজমের অর্থনয় ধর্মকে তুচ্ছ তাচ্ছিল করিয়া উহার অভ্যন্তরস্থ লাভা না মারিয়া উহাকে আগ্নেয় করিয়া তোলা। বিশেষত বঙ্গীয় অথবা ভারতীয় স্যাকুলারিজম যেখানে ‘ লা ফিদ্‌দীন’ নয় ‘লা-কুম দীনাকুম ওলিয়া দীনের’ উপ্রে প্রতিস্টিত। নাস্তিকতা নয় যারযার ধর্মের স্বাধীনতার উপর প্রতিষ্টিত । তাইলে আওয়ামী  স্যাকুলার রাজনীতির চিন্তানায়ক , যিনি নিজে নাস্তিক নন অথচ ধর্মহীনতার ভাষায় ইসলাম আল্লাহ ও মোহাম্মদ কে নিয়া স্থূল আলোচনায় মাতিলেন , কেন? উনি কি রাজনীতির ফল মৌলবাদের  বিষ বৃক্ষে ধরাইতে চাহিলেন ? তাইলে কি মুর্খজন বলিব , এখানেও এজেন্ডা কাজ করিতেছে ।  কোন কিছু হাসিলের মতলব চলিতেছে ?

আমরা যারা তাঁকে জানি ভালো করিয়া জানি তিনি একজন আল্লাবাদী মানুষ। তিনি আয়াতুল কুর্সি পড়িয়া মানুষের মাথায় ফুঁ দেন । আবার নন প্র্যেক্টিস মুসলমান । ক্যাজুয়েল ধার্মিক । উমরাহ পর্ব ইতিমধ্যে সমাপন করিয়াছেন , মুল হজ্বও করিয়াছেন। আকবরি বড় হজ্জের জন্য অপেক্ষায় আছেন । আল্লাহ হুকুমের মালিক । আল্লার হুকুম না হোয়াতে , দিন তারিখের সাথে না মিলাতে , শুক্রবারের আকবরির জন্য উতাল হইয়া আছেন । এই হেন লোক কেন আল্লার ছিফতি নামের সাথে দেব দেবীর নামের মিলন খুজবেন । খুঁজে পাইলেও কেন বলিয়া বেড়াইবেন । বরঞ্চ তিনি এড়াইবেন। এমন কুকাম তিনি কায়মনবাক্যে এড়িয়ে চলিবেন ! অথচ হেতায় তিনি ঝাপ দিলেন । মৌলবাদ কে নিবারন নয় উস্কানি দিলেন । যে মৌলবাদ কে তিনি বাংলাদেশের প্রথম সমস্যা বলিয়া চিহ্নিত করিয়া থাকেন । দুর্নিতি কে বলেন দ্বিতীয় । কিন্ত আমারমত অজ্ঞজন তিনির বক্তব্যে তালি দিলেও, বিজ্ঞজনেরা জানেন দুর্নীতিই আমাদের সকল অর্জন কে বিসর্জনের ভেলায় ভাসিয়ে দিতেছে । মৌলবাদ সেখানে অনেক অনেক পরের বিষয় ।কেন ফ্যাশন্যাবল কুমিনিষ্টের মতো কথা বলিলেন?  এই বয়সে তাঁকে ফ্যাসনেবল কমিউনিজমের ভুতে তাড়াবার কথা নয় । এই ফ্যাশন্যবল কমিউনিজমে কে উনিতো একাশি বছর গোঁ খেদানোর মতো তাড়াইয়া বেড়াইয়াছেন । তাইলে কি কথা , কি কথা ঐ যুবতির সাথে ? ধনতান্ত্রিক যুবতীর কোলে কামিনী নয় , মনেহয় কাঞ্চনের  দোলে দেখিয়াছেন? এখানে দুর্নীতি ও সভ্যসমাজের ইবনে খালদেদুনীয় ধোঁয়ায় কিছুই আচ্ছন্ন করিতেছে না । আর যদি কেও তোলেন তাঁতেও লাভের পাল্লা ভারী হওয়ার সম্ভাবনার চাইতে লোকসানের দিকে ঝুলিয়া যাওয়ায়র ঝোকই প্রবল ।

বলুন তো ? কি দরকার ছিল এইসব বলার ? প্রিয়া গাফাফার ভাই , বাঙ্গালীত্ব বুঝানোর জন্য কি এসব বলা আবশ্যক ছিল ?  হালেতুন নবীর পুঁথি পড়া বাঙ্গালী মুসলমান দেওবন্দ অতিক্রম করিয়া , মওদুদীবাদে বিচরণ করিতেছেন, সামনে তাঁদের প্রকৃত ইসলাম সালাফিজম আসিতেছে । সৌদি থেকে রিয়েল ইসলাম আসিতেছে । বাঙ্গালি মুসলিম মধ্যভিত্ত অক্ষর জ্ঞান  লাভ করাতে বঙ্গ ভাষায় বই পাড়া এমন কি বই লিখাও শিখিয়াছে । আর এই বইগুলো কিন্তু প্রো-ইস্লামিক। সুতরাং বাঙ্গালি মধ্যভিত্তের বাংলাদেশে ইসলাম নবিন ভাবে আসিতেছে । আপনাকে এখানে তাঁদের সহযাত্রি হওয়ার কথা , আপনি কেন তাঁদের যাত্রায় আঁখ মারিলেন । টিপ্পনী কাটিলেন । আপনি ভালো করিয়া জানেন বঙ্গবন্ধু, রবীন্দ্রনাথ দিয়া বাংলাদেশের মৌলবাদ রুখা যাবে না । মৌলবাদ রুখতে হলে রাজনৈতিক দুর্নিতির মুলুত্‌পাঠন করতে হবে প্রথম । যেখানে আমলা ও রাজনীতিবিদ মুদ্রার দুই পিঠ হইয়া অবস্থান করিতেছেন । সত্য চরম বেয়াদবি হলেও সত্য ,কোন মোল্লা সুইস ব্যাংকে টাকা রাখে না । বছরে ছয় হাজার কোটি টাকা বিদেশে চালান করে না । ইয়াবা আমদানী করে না । ঈদের দিনে গার্মেন্টস বালিকার বেতন আটকাইয়া রাখে না । আপনা বালক বালিকা কে বিদেশে রপ্তানি করিয়া বৈদেশিক নিরাপত্তা বিঁধান করে না । তাইলে তাঁরা কি করতেছে? ইরানি স্টাইলে ইসলামি বিপ্লবের খোয়াব দেখিতেছে! কারণ তারা এই রাজনীতির উপ্রে বিশ্বাস হারাইয়াছে । তারা মুসলিম বাংলার চেতনা কে ধীরে ধীরে ‘মুসলিমলীগ-উলামা-বি এন পি’ ইত্যাদির ঘাট হইতে বিযুক্ত করিয়া আরো শানিত করিতেছে । যেই দেওবন্দি  মৌলানা মৌলবির আওয়ামীলীগের গুড়া পত্তন করিয়া ছিলেন , ইহারা আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে দাড়াইয়া পড়িতেছেন ।এর কারণ আওমীলিগের স্যাকুলারিজম নয় , ইহার কারণ হচ্ছে প্রশাসনিক দুর্নীতি । আর এই দুর্নিতিবাজ প্রশাসন আওমীলিগ কে নেস্তে নাবুদ করিয়া ছাড়িবে , ইহা বলার অপেক্ষা রাখে না । কারণ আওয়ামীলীগের হাতে ধর্ম নাই ।বি এন পির মতো ধর্মের জিগির তোলিয়া , এক হাতে কোরান আর এক হাতে বি এন পি লইয়া রাজনীতি করে । আওয়ামীলীগের হাতে মুক্তিযোদ্ধের চেতনা । আর এই চেতনা বিগত ত্রিশ একচল্লিশ বছরে মুসলিম মধ্যভিত্তের চেতনার রঙ্গে রঙিন হইয়াছে । আওয়ামীলীগার দের ধর্মকথা শুনিলে , আপনিও বুঝিতেন । ঐদিন আপনি যদি ডায়াসে না বসিয়া অর্ডিয়েন্সের লোক গুলান ডায়াসে উঠিয়া ইসলাম সম্পর্কে বক্তিমা দিতে বলিতেন , তাইলে বুঝিতেন , মুক্ত দুনিয়ার আওয়ামীলীগাররাও  তাঁদের ধর্মকে কি আবেগের মধ্যে রাখিয়াছেন ।

আমাকে চিন্তা ও বুদ্ধির স্বাধীনতার কথা বলিয়া লাভ নাই ।আমি ব্যাক্তিগত ভাবে কারো ভাবে গদগদ না ।খালি একুশে ফেব্রুয়ারীর গান গাইয়া আমার কলিজা ঠাণ্ডা হয় না, আমার কলিজার আগুন নিবারণের জন্য আরো অনেক গান শুনতে হয় গাইতে হয় । যাদের কলিজা একমাত্র আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো গানে ঠান্ডা হয় তাঁরা আপনার আখাস্তা নাখাস্তা কথা বার্তা শুনে চেং ফাল দিলেও বাংগালের জগতে স্যাকুরারিজম কায়েম হবে না । আমরা জানি কিভাবে উপর থেকে নিচের দিকে সভ্যতাকে গ্রহন যোগ্য করে তোলা হয় । যত ধর্ম,  দর্শন বা নীতি,  ইহা সমাজে প্রোথিত হয়েছে হয় রাষ্ট্রীয় আনুকুল্যে নতবা রাষ্ট্রিয় ক্ষমতা দখল করে । ইউরোপে যে স্যাকুলার সমাজ বা সামাজিক মূল্যবোধ ছিল ইহা প্রাথমিক রাষ্ট্র কতৃক চাপিয়ে দেয়া হয়েছে । রাষ্ট্র দ্বারা ইহার চর্চা ও পরিচর্চার ফলে সেকুলারিস্ট সমাজের উদ্ভব ঘটেছে । ইউরোপে আগে স্যাকুলার সমাজ আসেনি , এসেছে প্রথম স্যাকুলার রাস্ট্র । তাই আগে স্যাকুলার রাষ্ট্র প্রতিষ্টা করুন , তারপর তারপর সমাজ । যারা স্যাকুলার রাষ্ট্র প্রতিষ্টার আন্দোলনে আছে তাঁদের কে সাহায্য করার নামে বিপদ গ্রস্থ করিয়া লাভ নাই । আপনি প্রকৃতভাবে স্যাকুলার হলে স্যাকুলার মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আপনাকে যারা জামাই আদর করে তাঁদের কে স্যকুরাজিম বুঝান, তাইলে কাজের কাজ হবে , ঘরের ওয়াজ মাঠে করিয়া লাভ নাই । আগে ঘর ঠিক করিয়া বাদে দোয়ার ঠিক করবেন । আপনার বক্তৃতায় আওমীলিগের  কর্মিরা বেশী আহত হয়েছেন। আপনি জানেন আপনি অনেকটা তাঁদের আদর্শিক নেতা, আপনার বক্তব্য তাঁদের কে মর্মাহত করেছে । তাঁরা দল করিয়া টেকিয়াছেন , তাই ভিতরে ভিতরে আপনার উপ্রে ফুঁসিছেন । এর কারণ তাঁদের অজ্ঞতা নয় । এর কারণ হচ্ছে তাঁদের সম্পর্কে আপনার ধারনা গত অজ্ঞতা । মনে রাখবেন উনারা শেখ হাসিনা নান । শেখ হাসিনার প্রান শাহবাগীদের জন্য কাঁদলেও , শাহবাগীদের আন্দলন বুঝলেও আওয়ামীলিগ বুঝে নাই । ওখানে আওয়ামীলীগের লোক সেখানে গোন্ডামি করিয়াছে । আপনার সদ্য চর্চিত ইউরোপিয়ান স্যাকুলারিজম আওমীলিগের চর্চিত বিষয় হলে শাহবাগ তৈরীই হত না । শেখ হাসিনা দুঃখ করিয়া বলিতেন না ওরা ( মৌলবাদীরা ) আমাকে খুন না করা পর্যন্ত ক্লান্ত হবে না । তাইলে কি বুঝা যায় না যাদের উপ্রে ভরসা রেখে আপনি ভক্তব্য রেখেছেন সে আওমীলীগও শেখ হাসিনার মতো ক্ষণজন্মা নেত্রীকেও সুরক্ষা দিতে পারবেনা । যেমন বঙ্গবন্ধু কে পারে নি ।তবে হাঁ আওমীলিগের ভিতরে “ লাকুম দি নাকুম ওলিয়া দিনের” যে বাতাস আছে সেটাকে ঝড়ে রুপান্তরিত করে আরো অগ্রসর করা সম্ভব যদি আপনার এইসব বক্তৃতা জাতীকে না শুনিয়ে আওয়ামীগের কর্মিদের শোনান । আপনার বক্তৃতার পেছনের সুত্র সমূহ বাৎলে দেন,  এঁদের কে আত্মস্থ করতে বলেন । বাংলাদেশের সংখ্যালগুদের ভোটের জন্য না, সংখ্যা গুরুর মুক্তির জন্য প্রকৃত ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্রের প্রয়োজন । আমি নিজেও প্রায় দুই যুগের উপ্রে আওয়ামীলীগের সমর্থক, ১% আওয়ামীলীগার গণ প্রকৃত স্যাকুলারিজম ধারন করতে শেখেনি ।তাঁদের স্যাকুলারিজম মানে হিন্দু মুসলিম ভাই ভাই , এই পর্যন্ত । আপনার নব্য বোধদয় দিয়া আগে আওমীলীগ কে নাব্য করুন , আমরা আপনার ঢোল এছা জোরে পিঠাইবো , আপনাকে আর নিজে নিজে এই বয়েসে কষ্ট করিতে হইবে না ।

জানি গাফফার ভক্তগন বেজার হইবেন , কারণ আমার এই বক্তব্য খানা উনার বিপক্ষে চলিয়া যাইতেছ বলে । আপনাদের সোজা কথা উনি উনার মতামত ব্যাক্ত করার অধিকার রাখেন । কিন্তু আমি বলব সবে সব অধিকার রাখলেও ফলাইতে নাই। এবং আমি আবারও বলছি গাফফার ভাই যে অবস্থানে আছেন  সে অবস্থান থেকে এই মুহুর্থে এইসব বক্তিমা পাব্লিক পেলেছে দেওয়ার কোন যুক্তিযুক্ততা নাই । উনি হুমায়ুন আজাদও না জাফর ইকবালও না । উনি স্বাধীন প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবী না উনি আওয়ামী পরিবারের বুদ্ধিজীবী । তাই তাঁকে অনেক আওয়ামী দ্বায়ীত্ব নিয়া কথা বলতে হবে । সাধারন প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবীর দায় থাকে বহন করতে হবে কেন ? লন্ডনের রাজনৈতিক সভায়  মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশে তাঁদের কাউকেতো দেখা যায় না। উনিই একমাত্র বুদ্ধিজীবী যিনি বুদ্ধির শুভা বর্ধন করিয়া থাকেন ।তিনি কোন ভাবেই দলীয় দায় এড়াতে পারেন না। কারণ তিনি দলীয় বুদ্ধিজীবী । নাকি সে দিন মাননীয় প্রধান মন্ত্রী উনাকে লক্ষ করিয়া যে উক্তি করিয়াছিলেন তা উনাকে স্বরন করিয়ে দেয়া প্রয়োজন? তিনি আওয়ামী রাজনীতিতে অনেক দুঃখের কারণছিলেন যাহা নেত্রি নিজ মুখে জন সম্মুখে বলিয়াছেন! এই দুঃখ জনক কাজের মধ্যে এইরখম হঠকারিতার ফিরিস্তি নিশ্চয় রহিয়াছে ?
 
তারপরও যদি কেউ বলেন যে ব্যাক্তি আব্দুল গাফফার চৌধুরীর মত ও চিন্তা প্রকাশের কি স্বাধীনতা নেই ? তাইলে বলবে হাঁ ব্যাক্তি আ গা চৌ তাঁর মত ও চিন্তা প্রকাশের স্বাধীনতা রাখেন।কিন্তু এই মত ও চিন্তা প্রকাশের অর্থ নয় ভরা মজলিশে পাগলের হাতে দা ধরিয়ে দেয়া । এতে করে নিজেকে কেবল বিপদ গ্রস্থ করা নয় সমস্ত মজলিস কে সংকটাপন্ন করিয়া তোলা । তাই যখন মৌলবাদের পাগলা কে চিকিৎসা করিয়া সুস্থ করিয়া তোলা, অথবা চিকিৎসার অতীত হইলে টার্মিনেইট করা জাতীয় কর্তব্যের আওয়তায় পড়ে তখন তাঁর হাতে অস্র তো্লিয়া দেয়া কি বুদ্ধিমানের কাজ ? অন্তত তাঁর পক্ষে উহা সুভনিয় দেখায় না ।

উনি মৌলবাদ কে উস্কানী দিচ্ছেন বলছি এই কারণে যে , উনার বক্তব্যের অনু-বিশ্লেষনে না গিয়েও বলা যায় উনি কেবল ইসলামের মাঝে অসংগতি দেখতে পেলেন, আর কোন ধর্মে দেখতে পেলেন না যা বাঙ্গালী জাতীয় পরিচিতির ক্ষেত্রে হানি কর ।
উনারতো না জানার কথা নয় ,বাঙ্গালিত্বের প্রধান উপাদান যে বাংলা ভাষা , মধ্য যুগের মুসলমানদের কারনেই বিকশিত হয়েছে । গ্রীক সভ্যতার জ্ঞান বিজ্ঞান যেমন বাগদাদের মুসলমান বুদ্ধিজীবী গণ রক্ষা করিয়াছিলে এবং ইউরোপিয়ান পুনঃজাগরণে পরোক্ষ ভাবে সহায়ক শক্তিহয়েছিলেন , বাঙ্গালি মুসলমানেরা বাংলা ভাষা কে ফার্সি ও সংস্কৃতি উভয়ের আগ্রাসন থেকে রক্ষা করে বাংলা ভাষার পুনজাগরণ ঘঠিয়েছিলেন ।
এই মুসলমানেরা কিন্তু মৌলবাদী বা নিপিড়ক শাসক মুসলমান ছিলেন না । এরা ছিলেন ধর্মান্তরিত মুসলমান । এরা বিজাতী স্বংস্কৃতির কাছে আত্ম সমর্পন না করে, সংশ্লেষের মাধ্যমে বাংলা ভাষার জীবন ধারাকে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন। সারা মধ্যযুগে হাতে গুনা কয়জন হিন্দু পুথিকর ছাড়া তেমন কবির দেখা মেলা ভার। অথচ মুসলিম রাজসভায় ফার্সিজানা হিন্দু আমত্যদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। এইসব আমত্যদের উত্তরসুরিরা কিন্তু মুসলমান বাঙ্গালির স্বার্থে গেলে বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করেছেন, আবার মুসলমান স্বার্থের বিপক্ষে গেলে বঙ্গভঙ্গ করেছেন।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালায় প্রতিষ্টার বিরোধিতা করেছেন । এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় না হলে কি একুশে ফেব্রুয়ীরি হতো? গাফফার চৌধুরী কি গান লিখতে পারতেন? আজও সেই হিন্দু মৌলবাদ কৌশল বদল করে বাঙ্গালী মুসমানদের কোন ভালো কাজ কে স্বীকৃতি দিতে চায় না। বাঙ্গালী মুসলমানদের শ্রেস্ট অর্জন অসাম্প্রদায়ীক বাংলাদেশ যেন টেকায় পড়ে সাহায্য করেছিল , না হলে এই সভ্য দুনিয়ায় আমাদের কে ওরা কাঁটাতাঁর দিয়ে গেরাও দিতে পারতো না । বাংলাদেশের সাথে মার্জ হোয়াতো দুরের কথা। কারণ এরা বাঙ্গালি মুসলমানদের বাঙ্গালী মনে করে কি না সন্ধেহ রহিয়াছে। তাই বলা যায় বাঙ্গালি মুসলমানদের বাঙ্গালীত্ব টিকিয়ের রাখার জন্য , পলিটিক্যাল ইসলাম একমাত্র হুমকি নয় , ভারতীয় হিন্দু মৌলবাদও একটি অন্যতম প্রধান হুমকি, যার সাথে বঙ্গভূমি আন্দোলনের মৌলবাদীদের যুগসুত্র রহিয়াছে। মৌলবাদের উভয় ধারাকে মোকাবেলা করে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। ইহা গফফার চৌধুরী জানেন, কিন্তু জেনেও খুঁচা টা কবেল ইসলাম কে-ই দিলেন।
   
আরেকটা মজার প্রবণতা লক্ষকরছি ! সেটা হচ্ছে গফফার চৌধুরী রক্ষা ও বাঁচাও বিবৃতি বাজী । কেন ? উনাকে কি কেউ আক্রমন করছে ? উনাকে যারা আক্রমন করছে লেখা লেখির মাধ্যমে , সেটা কি তাঁদের অধিকারের মধ্যে পড়েনা । সে ব্যক্তি চিন্তায় চেতনা মৌলবাদী হলেও তাঁর কি মত প্রকাশ ও নিজ পক্ষ অবল্বনের  অধিকার নেই ? সে অধিকার ধমন করা কি প্রগতিশীল ফ্যাসিবাদ নয় ?না কি বটবৃক্ষের কোলে আগাছার লাফিয়ে উঠার মত আত্মপ্রকাশ ? কোনাটা ? বন্ধুগন, তৃণমূল বৃক্ষ হও , তবু আগাছা হইয়ো না ।  নিজের অবয়বের ক্ষুদ্রতায় লজ্জার কিছু নেই কিন্তু কৃত্রিম ঠ্যাং লাগিয়ে উচ্চাতা প্রকাশ থেকে বিরত থাকা নিজ নিজ মঙ্গলের জন্য অতীব উত্তম । আর যদি রাজনীতি করতেই চান , তাইলেতো মাট পড়ে আছে নেমে পড়ুন । শিল্পী সাহিত্যিকারা কি সরাসরি রাজনীতি করেন নাই ? রাজনীতি কে স্বঘোষিত এম্বার্গেশন দিয়ে আবার রাজনীতি করা কি স্ববিরোধিতা নয় । বলি কি , আপনাদের প্রতিভা আছে, সরাসরি নেমে পড়ুন , তাহলে আউল ফাউলদের সাথে আপনাদের ঘুরাঘুরি করতে দেখে মর্মাহত হতে হবে না । আসল জায়গায় আপানাদের দেখতে পাবো , প্রান জোড়াব । রাজনীতি কিন্তু অত্তখারাপ না , যতটা আপনেরা খারাপ ভাবিয়া থাকেন । কারণ আমাদের সক্কলের অন্তরে কিন্তু একজন ম্যাকিয়াভেলীর বসবাস ।

Read more…

ধ্যানস্থ চোখ মুদে
কিতাবুল যুমুরুদে
বুদ্ধিতে শূদ্ধি
হায় কলিমুদ্দী
মিথ্যা দোহাই দাও নমরুদে ?

নেশা মন্ত্র যতো দাও
ততোই বাড়ছে বাও
উল্টো বাতাসের পালে
বড় দুর্মূল্যে আফিম খাওয়ালে ?

দেখিয়া জগত ফন্দী
কহে আল-রাওয়ান্দী 
ওরে মোছকান  
ওহে জাহির পরান
'মন্তিকে ' খোদ্দারী ভেঙ্গে খান খান ।
-------------------

আল-রাওয়ান্দীর  হাওয়া / আগুনের শীত / ৩৪

Read more…

প্রথম জোনাকির শেষ জ্যোৎস্নায়
------------------------------
০১।
আকস্মাৎ অধিরাজ চামের চন্দ্রচুড়ায়
অজমীড় নাভিমুলে মৃত জননীর শ্মশান জ্বলে ওঠে
অঞ্জনা
অঞ্জনা, হনু বংশী মাতৃ দাত্রি আমার
তোমার প্রেম ছিড়ে বেরিয়ে যাই অন্য জলভুমে

অজিতেন্দ্রিয় মেঘালয় বিদীর্ন হয়
চক্ষোলজ্বার অজিফা ফুঁকর দিয়ে দেখি
বিলকিছ আপা , তোমার দ্বৈত আঞ্জুমানে আগুনের ছবি
অক্ষত কুমার পোড়ে
মুণ্ডু তোলে মুক্তাধর আলদের মাথা

ছাই ও স্বর্ণরেণু ওড়ে
উত্থিত আলোদের মুখে
নখ থেকে নাসারন্দ্রে তোমার উপ-মাংসের গন্ধ বাতাস
উপ-পাপের নবিন জয়ন্তী শুরু হয়
গনঘোর রাত্রির কানায় কানায়

অবারিত দৃশ্যাবলী
কাঁচের পর কাঁচ
রঙ ও রুমালের দেখন কথন দেখে
পর্দানশিন মোসাম্মত ছায়া ভিজে যায়, কুয়াশায়

উপযাচিকা আলোয় উরঙ্গম সুখ টলেপড়ে
প্রথম টের পাই -
জোনাকের ওম
জোনাকির উপাস্য তাপমাত্রা ও আরধ্য দেবত্ব সাধনা
যে কোনো মেওয়ারুন ফলের খরতাপ ।

০২।
বাঁশ টাংনীতে রোদ
শুকুচ্ছে কার ব্লাউজ
হায় মরমের চাঁদ!
এ কোন দৈ দৈ কারবালা
রক্তে বাজে
সখিনার কসীদা .........ইয়াজিদ উমরাও প্রসাদে

সঙ্গিন জঙ্গে নাশায়
নারিকেল ভেজা বালিশের ঘ্রাণ
চোখ লাল
উরজে উশর মুখ , বালির পদ্মায় বান ও ভুমির কাঁপন
হায় বিলকিছ আপা
তোমার বালিশে রেখে গেছ
কৃতার্থ প্রেমের ডেকুর........রুমালতলীর সুফিয়া মনজিলে

উমার উমেদ শিব
তছনছ করিয়াছি সাংকেতিক ওয়াল ঋষভ ও ঋত্বিক সমানুপাতে ।

০৩।
এক চিলতে দামড়ি পিঠ ও পেঠের দামায়
দার্শনিকতার কামনাতীর্ত জুনাগড়ে গুপ্তবাক্য বয়ে যেতো
মুর্তিমান ভুকম্পন শুনে
কেঁদে ওঠতো সদ্য কৈশোর অস্তরাগে ভুইছাল বন

ভুবন রাঙা গোমেদ পাথরে
বৈদুর্য মনির প্রস্রবণ
পরিদের পণভাঙ্গা স্রোত , ছিনিয়ে দিয়েছে বলে বিলকিছ আপা
বুঝতে পারি আদখাওয়া অপস্বরার চাপা হাঁসি লগু কান্না
কামরাঙ্গার চৈলতা জলে তীব্র হাহাকার ........................।

০৪।

দাড়িপতন অবিরাম গ্রামে
ফাঁড়ি পথের খিড়কি আকসার খুলে যেতো
এক অন্ধ শিকারীর বাঘ্র আর্তনাদে
-মেঘনাদে
-শীতনাদে
-বসন্তনাদে
ধন্বন্তরি বিলকিছ ভানুর মতো নিরঙ্কুশ প্রেম খুঁজি
শিল্পী ও সহোদরায় মাখামাখি সুবর্ন ভনিতা প্রেম

অন্ধকারে পার্বতীপুর রাতে ঢেকে গেলে
চন্দ্রমুখিদের বিদ্ধকরি বরমচাল ভাঙ্গা চোখের তাঁরায়
বিলকিছ আপার মতো
নির্জলা শাড়ী সম্পাদনের মতো
আজও কেউ খুলতে পারেনি চৌরঙ্গির হাঁট
নির্গন্ধ রাতের নিরেট কপাট, উত্তেজিত জবার ললাট

০৫।
তেঁরাধরং আকাশের ছানী
নীচে তুমি ধারন করো বারোপালের দীঘি ও দীঘল কেশী মায়া
তোমার শৃঙ্গারে ম্লান হতো ঘোংগাদির পারে হস্তিনাপুর .........।

পুরা-কাহিনির যতো শ্রেষ্ঠ মমতা
ভরে দিতে পুর-হরে আমার পুরুষে
পুরাঙ্গনা বিশখা-খাদিজার মতো পুরস্ত্রীর প্রেম

পুণ্ডরীকে টালমাটাল চৌধুরী বাড়ির বয়োকনিষ্টা পুকুরের কচিজল
পুকুরের ছিদ্রগুলো রজকিনীর ক্ষুরজলে শতকিয়া
পুন্যবানে ধরে মোর হাত, তোমার পৌন্ড্রুক তিলে হেরে যাই .........।

পীনোন্নত দিঘীজলে বারবার ফিরে আসি পিটুলির স্বাদে
মনমোহন দাসে রেখে দেই সুনির্বন্ধ নিবেদিতা স্বাক্ষর
উত্থানের রোমহ্নন সুর্যরাতে ..............................।

বিলকিছ আপা
জননী ও জায়ার মিতস্ক্রিয়ায় ইদিপাস আগুনের খাক
চিরন্তন দানিয়ুব নদীর বিবি হাওয়া'র আখলাক ।

০৬।
নাশবন্দির নালিশ দিয়েছি কতো জারুলে শিমুলে
কফলের ফুলে
প্রোৎসাহে, জড়িয়ে ধরতে মুল ও মুনির প্রেষণা
ফেনিল সাগর
নেতিয়ে পড়া বৈটার তৃপ্তিতে , সাগরের মর্ষ মরণ ।

ক্রমে শিখতে থাকি ভঙ্গুর পয়ার
কেমনে ভাঙ্গতে হয় ভদ্রানীর ভবতরী , মাটির আঙ্গার
ভপঞ্জর অলিগলি, অট্রালিকা ও কুটিরের ভগন্দর ভাষা

ভুল গীতে
ভুল সঙ্গীতে
পৃথিবীর ভবিতব্য বাঁধা তাই , ভুক্তভোগী ভবদীয় আমি
একান্ত বাধ্যগত
হে প্রেম সঙ্গিনী

শাস্ত্র ও শস্যের মধ্যবর্তী শশিভূষণ দাস লেনে
আমরা মিলিত ছিলাম , শর্বরীর অন্য ভুবনে

Read more…

০১।

মেয়েদের পা দেখার জন্য
পাগল হয়ে গেছ মাইনকা পৃথিবী
কেনো?
পুরুষ দের পা দিয়ে অতি উত্তম
পাওরুটি পাওয়া যায় না ?

পাওয়া যেতো -
প্রাপ্ত ইতিহাসে থেকে গ্রিসে
সফিস্ট দের কোলের বালিশে ।

এই জনন সংগঠন নীতি
আলীমুল গায়েব সংরক্ষিত রেখেছেন
বেহেস্তিগনের গেলমান কুহুক নগরে।

রমনীমোহন
কেঁদনা হে বেদানা-সবরীকলা
যৌথ বাহার !
ক্রৌঞ্চে ক্রৌঞ্চে দেখা দেখি
পরিগ্রহন চলিতেছে দার.........।

উত্তরাধুনিক উত্তরা হয়ে
কেনিংটনের দিকে মুখ রেখে হাসছি
আশীর্বাদ অভিসম্পাতের মধ্যস্থলে
পয়গাম্বর ও ফরিস্তার যুদ্ধে কার পক্ষ নেবো ?

০২।
বন্য শ্বাপদে বিশ্বাস হারিয়েছি
তারাও সীমান্তের মুখাপেক্ষী
সুন্দর বনের বাঘেও চিনে রাখে
কোন বাংলার অধিপতি সে ?

ঝড় ঝঞ্জা সাইক্লোন, ভুমিকম্প
এখনও স্বাধীন, বহে চলে উতাল-পাতাল দিয়ে
উত্তর আমেরিকার দুস্যু
কুঁড়িগাঁওর ফেলানীর মতো
আফিমের পুড্ডি হাতে মধুপুর ভাওয়ালের  গড়ে

কালিয়াকৈ রণে 
হায় ঝংধরা রাইফেল
ভলবিয়া আমার কোন জন্মের মাতৃভুমি ?
এঙ্গোলা
উগান্ডা
ভিয়েত কিং গোলাপ আগুন
খুনি রগেন্দ্র আর কতো টাণ্ডা হবে হাঁসপাতালে শুয়ে ?

০৩।
ভংধর মস্তাই পাগলার মতো
পরাজিতের গুট্টি খেলে যাই   
ভেগেছি ভেবে, যেই নিন্দ গেলে
সতীত্বের সত্য, নাশ করে দিলে

এই ভং ধরে তোমার সং ধরে পড়ে রই
জন্ম মৃত্যুর মতো বিপরীত কথা খালি কই

আমরাতো  কিচ্ছুনা
কিছু কর্বনে জোড়া লাগা পানি
আলোমতি প্রেমকুমার
ভুলতে পারিনা আলোর দাগা খানি!

০৪।
টাণ্ডা লেগেছে হে কগনেগের গ্লাস
তোমাকে না কাঁচ, কা’কে পান করি
জানি উভয় অঙ্গে রাখা মরনের জড়ি।

আপাততো রসরাই
তুমি দাও সুধা
নিদান পাচক দেহে না মিটিল ক্ষুধা
আজন্ম সুবোধ বোদাই চন্ডাল
দরজা ভাঙ্গতে গিয়ে ভেঙ্গেছি কপাল। 

তবুও তোমার মুখপানে চেয়ে রই
তুমি কিচ্ছু নও, এমন কি বিয়ে করা সই ?

পতিত পাবনে
ঘোর নিপবনে
দিয়েছিলে উজাড়িয়া রন্তভান্ডার
হে রাতের ঈশ্বরী বেশ্যা আমার।

তোরে কোন নামে ডাকি
পৃথিবীর প্রযন্তে তুই, সংজ্ঞাহীনা, আচানখার পাখি ?

০৫।
আও সাকি
জল মাখি
পদ্ম পাতায়
মোরাক্কাবায় বসি বাউলা হাওয়ায়

নিকুঞ্জ বিহারী
ফুলে যাই মরি
তনে মনে বেঘোর ষণ্মাস
আমাদের কথা কবে বেহুলা বাতাস

পাশে কিছু
নিলে পিছু
দিলে দিলে চুঁট
ধুনুক ভেঙ্গেছি পনে খাবো কালকূট

উজানে উজানে
আন্ধা মিজানে
রাখিয়াছি ভর
মরণ পারেনা রুখতে জিয়ন সফর

০৬।
ভাঙ্গা বেহালা হাতে
পড়েগেছি খাঁদে
হাতি আপাততো হেঁটে যাও খেঁদা করা ফাঁদে।

তোমার শুড়ের ফাঁকে
গজমতির হার
একদিন মশুর হবে ভাঙ্গারবাজার ।

বুড়িগঙ্গার জালে
কবিতা পরেছিল ফাঁসি
জাগাও ফরিয়াদ তোমার হে তুলারাশি ।

০৭।
সরাবখানা থেকে দুরে
সুদুরের বাঁশি কারে ডাকে
জীবন হে জীবন বড্ড ভালোবসি যে তোমাকে।

তুমি যদি চলে যাও
হে খোদার খোদ্দারী তুমিও বাতাসে মিলাও । 

আমি পথহীনা পথে হুঁচট খেলে
পথ ওঠে আসে
আমি-ই পথের সন্ধান পথ আমাকেই ভালোবাসে ।  

তবুও তিমির রয়ে যায়
তবুও তিমির রয়ে যায়
এ চেরাইয়ের কল কেনো চেরাগ জ্বালায় ?
 


Read more…

অনুরাধা তুমি পরমানুরাধা
----------------------
হায় বরেন্দ্র ভুমি
ভাঙ্গা হৃদয়ের শালবন বিহার
তোমার সুরেন্দ্র থেকে পাখিদের উচ্ছেদ -
গাছকাটা গল্পে করাতির গান ।

ইহা অপমান নয় ,অরুন্ধতি , অন্ধমতি বালিকা আমার
আমাদের ভয় ও ভালবাসার মন-মাথিউরায় উলুর সন্ত্রাস

এখন কেবল দুঃখদ্রোহের ঢেউ
গজুকাটা শৈত প্রবাহে চিতশোয়া স্বপ্নের হাট
অলৌকিক সম্রাট , তুমি বড় প্রতাপশালী আজ
স্বপ্নের উপর সমনজারির কোন দিবাবসান নেই।

হে বেপরোয়ার হাঁটুভাঙ্গা রাতের চাঁদ
হে বিশাল মদখোলা নদীর হুতাসুন ভৈরবী

উত্তরের পথে উজানের বাঁধ
তারপরও মরা নদীর সারি সারি জ্যোৎস্না আবাদ
চলছে , চলবে বিরূপাক্ষের রান্ধনশালে
জাগতিক , মানবিক শিলার সমরাঙ্গনে পাহাড় প্রাসাদ ।

মচকাবো তবু হারবোনা
কোর্পোরেট গালি বুকে নিয়ে দেশান্তরি হবো
মহাত্মাগান্ধি অভিমানে পিস্তলের শেষ বিষগূলি হজমের পর
হায় মদখোর পৃথিবী বদ্‌-দোয়া দিয়
হায় বুদ্ধিজিবির দুনিয়া দুঃখের চুনকালি দিয় – কলমে খাতায় ।

একদিন তোমার মত যতসব শিকলে
গান গুলি গেঁথে দিয়েছিলাম বলেই পরমাণু থেকে অনু
রক্তে বিশোধনের ছাকন দিয়েছিলাম বলেই পুড়ামুখি থেকে উড়াল সখি

ভুলে যাও এসব কুহুক মহেস-আম্বানি-বিড়লা সঙ্গীত............।
কেবল মনে রেখ স্টেলিন গ্রাদের গোলাপ বৃষ্টি
চৌয়েন লাই বাগান বিলাসের অনাক্রান্ত দক্ষিন এশিয়া বীজয়।

Read more…

নারী দিবস
---------------

মিউকাসে ভরে ওঠছে ফুসফুসের জালিকা কোটর
আলকাতরা পরমায়ু ক্ষীণ নাদে  ‘খাইরুল মাখদুবে’  এলে
উল্মফন স্বরে ফুলে ওঠে কবিদাস সাগর
হায় সিরাতুল মুস্তাকিম ! জ্ঞানপাপী ও কাপুরুষ কপিলা সদর

তোমার পালকে পেশি শক্তির জয়
তোমার পালকে রাষ্ট্র,  জয় গণেশের রক্ষা কবচ  

বেজাল রগকাটা হ্রদে ওজু গোসল
কর্পূরে তায়েফ নগরীর দাসি  বান্দির ইজ্জত, হুরমত , জুরমত
মক্তবের রেওয়ালের উপর সন্ধি পাতে 
বেজাল সোয়বিনে ভাঁজা জেসমিনের  গোস্ত  খাঁই খাঁই ওড়ে যায়
আলেন্দের চিলির উপ-গুহায় , আন্দলিস পাখিদের ডাকে

কাঁচা বাঁশে ব্রজগূন
কাঁচা বয়সে বৃশ্চিক দংশন
কাঁচা কাঁচের লাটিতে মর্দাংগির ভঙ্গুর অভিলাস
নবী ইস্কান্দার না কি জুলকারনাইন  করাঘাত করে ? মোকামে বাংলা বিহারে

হায়
অরুন্ধতী রায় , কোন ভরসায় জল ঘাটে , কলসি নয় কুচা নিয়া যাই
গড ইজ এ  বিগ থিঙ্কস
গড ইজ এ শিবশেনা , আহ কামুল হা কিমিন ……ইন্দিরার ………ইন্ডিয়ায় … ।

হায় ভগবান
ভগের অংকুরে যদি জন্ম তবে , নারী দিবসের রাত পাতে রেখে
খেয়ে যাও  চার্লস ডিকেন্সের দিন , ইদিপাশের কমপ্লেক্সিটি পৌরুষ্যের বাহরাইন

হায় পহ্নহারা অনাচারী হার
দারুল জব্বলে ফোটাও সাইমন দ্যা ভুয়েব্যার
ভার্জিনিয়া উলফের খামচায় কেঁদে ওঠে অশ্বমেদ মাংসে হায়া-উল উলার জগখম

এই পৃথিবীতে মিজানের পাহাড়
ভারসাম্যহীন মগজ দেখে  এলিস ওয়াল্কার , আফ্র-অ্যামেরিকান দাঁড়িপাল্লায়
রবার্ট মুগাবে, বারাক হোসেন ওবামা  কিংবা ম্যান্ডেলা সবাই সেক্সিস্ট বাহাদুর শাহ

ফাতেমা মারনিসি
ফোরাত অথবা মিসিসিপি সব খানে খুঁজে পায় , পর্দা ও পুংরাজ 
আব্রাহামিক হজেরা রোদনে , কেবল নারীদের পশু মেলা , নারীযোনির ঝনাৎকার
এমন গর্ত প্রশাসনে হয়রান খা-লিকুল আরব আমিরাত ওয়া হাইউল কাইয়ুম ………পুরুষতন্ত্র । 

 

 

Read more…

———————————————— — — 

মুক্তমনের লেখক , নিহত  সুহৃদ অভিজিৎ রায়ের সম্মানে 

———————————————— — —  

অভিজিৎ ঃ

এটা কি নতুন কিছু ?    
হে আমিরুল মোহাইমিনুল জল্লাদ, উম্মী জ্বব্বল
দারাইউস কীটের সদনে  ঘাতক ভাইকিং বাঁশি , আলীর তলোয়ার
নাভি ও নাড়ীর  জড়স্বর  মৌল কণার উপর এনেছে  অকৃতজ্ঞের ঝড়। 

আমরা দেশান্তরি , ডায়স্পোর থেকে বার বার ফিরে এসে বলি ভালবাসি , ভালবাসি
হে আলো-ঘাতী, আত্মঘাতী  মোহাম্মদী  বেগ, জাফর আলী খানের মিরনপুত্র , শোনো -
আন্ধা- কানুন লজ্বা  ঢাকতে  চেয়েছি  আলোর গিলাফে, ''ইল্মে-নুররে''  তেজস্বক্রিয়ায়   । 

১ম হত্যাকারী ঃ

এইটাই পুরস্কার বন্ধু, হেমলক,  চাপাতি, বল্লম, রামদা  গোলাপ
কোপার্নিকাস বনে তুমি ফোটিয়াছ গ্যালিলিও  রজনীর গন্ধ বিধারক । 

এখানে এসো না, সোনা ,  এই কাটাবংশি বন্য গেউরের কিং কুসুম জলে
যার কাজল কালিতে ভাসে ইমাম গাঁজ্জালির বিজয় বার্তা , ইবনে সিনার কান্দন , হাইয়ামের বিলাপ ।
মোতাজিলার জন্য বরাদ্দ কেবল  খন্দক ও খুরাইজা বিধান  , আমরা যে ’ আলো নই  আঁধারের যাত্রী ‘।

অভিজিৎ ঃ  

ওরে রাত কানা , দীনের দিওয়ানা , আবাবিলের ঝাঁক
হে রোদের দুশমন , খারিজির তীর ,লানৎ-এ-আব্দুল ওহাব  
ঠোঁটের পাথরে রক্তাত মুক্তির মন্দির ? 

মুই মাসুকানে ক্বাবা -
মোরকাবায় বিশুদ্ধ আমার চৈতন্য পাত্র মুদিরা-  সম্যক বোধন। 

হায়,  তবুও যে ভেসে যায় , রক্তাত রোদ কাটা নদে অভিজিৎ অরুণের করুণার হাঁসি ………………
তবুও মানুষ হও বাগদাদি  হারুনের ছায়ায় , পড়ো না হয় তোমাদের প্রভু জল্লেশার  নামে -
আল লাত,  আল মানাত, আল   উজ্জার বাগিচায়
আব্রাহামিক একেশ্বরের মূর্তি ভাঙ্গার মুর্ত  নৃ বৃক্ষের পাতা । 

২য় হত্যাকারী ঃ 

কই  হেরাক্লিটাস? কোথায়   পিথাগোরাস , লাপ্লাস,  দেকার্ত , হোকিং  তোর পিতার কৃষাণ
যারা বলে - শূন্য থেকে এই সোনালি জমিন , রূপালী কৃষ্ণচূড়া  রাত , মহাবিশ্বর  রমণী রঙ্গিলা ? 

তাদের ভূমিতে আমরা ফলিয়েছে মালেকুল মউত , আজরাইলের কুইয়ার , মিকাইলের বাঁশ
গুনে গুনে হত্যা করতে  পারি , মগজের গিলা, চেতনার যুক্তিবাদী অয়োনিয়ান সৃজন কুমার । 

অভিজিৎ ঃ

মৃত্যু!  শূন্যতার আদিম অবস্থায়  একটা দশা মাত্র
ঘাতক ও জ্ঞানী সব এক পুর্নাংগ  অসীম আঁধার  যেখানে
আমি পান করছি এই সত্যবাণ তাহুরা , জ্ঞানের গন্ধম
ভয় নেই, হে চাপাতির কুপ ,  কিরচের গাইল , হেমারের নুখ।

একদিন আলো জ্বলবেই তোমাদের হাড়ে
হায় আফসুস , তোমার পৈর নাতনী এসে ডাক্তার হবে আমার  মরিটরিয়মে  ।
একদিন অলিক স্বর্গের চোখ থেকে গলে নামবে সীসার হিজাব
পরিষ্কার দিনের আলোয় দীনের দীনতা ছিঁড়ে যাবে নুরের মুমিনুল মউজ-উদ-দিনে 

হায় !  নাস্তিক মুমিনের  গোলাব উদ্যানে তখন আস্তিক কাফের  পাখি গাইবে পারলৌকি বিরহ সঙ্গীত । 

৩য় হত্যাকারী ঃ 

আমরাতো মুর্খের মুখপোড়া অন্ধাকার , মুর্শিদ কুলীর খোজার খলায়  আসাদ্দুল গোলাম
তাতারের বনপুড়া মুগির চিতা , ইতিহাসের পুরানা অসুখ , মৃত্যু দণ্ড চেয়েছি কালে কালে যুগে যুগে।  

তোমার জ্ঞানাংসের একাংশ বাঁচিয়ে রেখেছে মোরে , তিল বাতেসা মণ্ড মিটাই খাতিরে
আব-হায়তের শরীরে পড়েছে উম্মির পলি , গুকুলে নদর হয়ে অন্ধকার করছি প্রচার । 

তাই আগাছার বংশ বৃদ্ধি ক্যামন দীপ্যমান , খানা খন্দে বাঁওড় বন্দে কেবল ইবাদত খানা
আঞ্জুমানে ধর্মের গঞ্জিকা  মুদ্রায় , সিলসিলায়ে রেসালত হে  মুখর মুর্খতা চিরঞ্জীব হও । 

অভিজিৎ ঃ

হায় অজ্ঞতার মৌরীধানা , মৃদঙ্গের তাল ভাঙ্গা ধাতু - ইতিহাসের অনারোগ্য ব্যাধি
নিউটনের অ্যাপেল  যতদিন মাটির দিকে দাবিত হবে এই যুদ্ধের শেষ হবেনা জানি  । 

আমার  সুনিতে তবু জন্মে দেবে স্বাধিকারের হবস, লক, রুশো , ইবনে খালদুন প্রমুখ দেবদারু
এরা ঠিক আমার মতো বাক্কাউল্লাহ খলিফার সিয়াসতে মুক্তির  জিয়াফতে নিহত হবে কুড়ালের  কুপে  । 

এরপর অনেকে অনেক কিছু হবে , টিএসি চত্বরে অভিজিৎ স্ট্যাচু অব লিবার্টি হবে
যে জল্লাদে শির কাটে  জাহাঙ্গীর শ্মশানে , তাঁর পুত্রবধু আমার কফিনে  দেবে শহীদি সিলভার গোল্ড  । 

হায়, হায় ,  সেদিন শত মুখে মুর্খদের লজ্বা ঢাকতে আরশের তেরপাল ভিজে হাশরের-কিয়ামত  হবে
কাঠ হয়ে রানী এলিজাবেথ পাঠ করবেন পুর্বপুরুষের পাপ, পোপের  বুজুর্গি নিষিদ্ধ হবে বায়তুল আমানে। 

আমাদের দুই রানী - সুয়ো রানী দুয়ো রানী , মহাদণ্ড ভাগারন্যে  হারাবে মাহারানী তেজ বাহাদুরী
প্রতিহিংসার বনানী গোরখানায়  সূর্যমুখীর ক্যমিকেলে  আমারা নতমুখী হবো মিরপুরে গনকবরের পথে ।  

আমাদের চন্দ্রকোনায় ঝুলে থাকবে অলিখিত সংবিধান - সর্ব প্রকার মানবিক ভাষার বিজ্ঞান
কারাকুরাম দৈত্বের জানাজা পড়াবেন প্রফেসর  অজয় রায়, অকুতভয় প্রতিভা, নির্ভুল তীন-জরিন ভাষায় 

হে জন্মদাতা তোমার হৃদপিণ্ডের যন্ত্রটা এখন পিতলের , কাঁসার , জার্মনির , তুমি আক্ষেপ করনা  
আমি শুধিয়াছি দেনা প্রথম স্নান জলের , তাঁর ব্যাধিতে আমার নাম লিখ , অ্যাক্লভিয়া  মহৌষধী বনরাজ। 

৪র্থ হত্যাকারী ঃ 

আমাদের আনন্দ দেখ কে আজ , কাবুলের পথে পথে গৌতমের কাটা মণ্ডূর হর্ষ মিছিল !
পুরাকৃর্তির মুরালী ভাঙ্গা গানে ভেসে যাচ্ছে  জান্নাতে ‘ খাইরুল মাখদুব’  কালোহাত কালোত্তীর্ণ এখন।  

গবরগাওয়ের বাংলাদেশে এবার ফলাবো 'এহিয়া উল ইল্মুদ্দিন’  -  চাঁদ তাঁরার আছমা-উল-হুছনা
গুমরাহীর নাপাকিস্থানে হাসবে পাক পাকিজার কালা কইতর - আহারে ! পাকসার জমিন সাদ বাদ … । 

কি মধুর কিসুয়ারে হাসিন উটনির চিৎকার , বকানা বাছুরের তিলাওয়াতে ঝংকৃত নন্দাইলের  বাংলা
সকল যামিনী হবে আরব্য রজনী , খাতুনের মসৃণ ভ্যালি ডান্স , আঁতর আউরাতে মারহাবা মারহাবা । 

অভিজিৎ ঃ

যে দেশে প্রেম দিলে , ধানের প্রভু হয় গানের শালিক
যে দেশে প্রেম দিলে , জমিদারও রাঙ্গামাটির পথে পান্তরে  বিশ্বকবি
যে দেশে প্রেম দিলে , ধৃতরাষ্ট ও  রাজত্ব ছেড়ে   আউলিয়া দরবেশ । 

এই সহজিয়া  আউলের বাউলা কাননে - তোমারা যারা ফোটীয়াছ ঘৃনায় মাশুর
অসুর লেবাস খসে যাবে ভাটিয়ালী ঝড়ে - ক্রমে গৌরিদ্বিপের কালাহারি বৈশাখে।

 

পদ্মার পারে এখনও লাটি খেলা হয়
লাটিম  হঠাত করে হয়ে যায় মাল্টবা গ্রেনেড
মোহাম্মদ বিন নিয়াজি টিক্কা পালায় পাল্টুনের  কাছা খুলে ।

এই গৌড়ী প্রভায়
হাজি দানেশ ঘুমায়
দোলখায় মৌলানা  ভাসানী , তর্ক বাগীশ, রাস মনি হাজং , মুজিবর ।

তোমাদের দৌরাত্ব বেড়ে গলে -
নারী গুলো ক্যামন যেন হয়ে ওঠে  প্রীতিলতা  প্রীতিলতা
নদী গুলো ক্যমন যেন হয়ে ওঠে টেংরা খুয়ায়ই মনু নৃত্বে আখালুকি
মাসুম মুড়িয়ার জলন্তরে  ভেসে ওঠে পস্তর পূজারির গলা কাটা মন্ডুপাত ।  

৫ম হত্যাকারী  ঃ

তুই তো মরে গেলি, হে অভিজিৎ , তবে কেনো  তোর রক্তে কথা ফোটে
এতো খুন ঝরিয়ে তুই ডাক দিচ্ছিস তোর মগদ কে  আজিব  বহাল তবিয়তে।  

তবে কি তুই মৃত্যুহীন স্ফিংকস , অসীম মস্তক  নিয়ে জন্ম নিস বারবার
তোদের তিমির হটাও অভিযান বুলন্দ হচ্ছে ছাপান্ন হাজার ফ্রেমেতে আবার। 

ভয়, নিশাভোর একাত্তরের মতো  যদি জাগরণ ঘটে বঙ্গের অঙ্গে তল্লাটে
হালের ঝংধরা জল হেরে যাবে - চাষ দিতে উর্বরা  এহেন মৌলবাদী টাঠে ।

অভিজিৎ ঃ 

আমি মরিনি সত্য , জীবন্ত দেহ দিয়ে গেলাম  ‘ঢামেক ‘ এর কোলে
আমার অস্তিত্ব যেন জ্যোতির্বিদ মৌলার  মতো ‘ এপ্পুর সি মুভি” শুধু বলে ।   

হায় গ্যালিলি  গ্যালেলিও , তুমি নাকে খত দিয়ে বেঁচে গিয়েছিলে নাদান পীড়নে
তোমার  জ্যোতির জয়গানে  এ মালাধারি   আপাতত হেরে গেছি সুবর্ণ রণাঙ্গনে । 

ভাবনার  জ্যতিমুলে , এ রক্তের ঋণ  বিস্তৃত হচ্ছে ক্রমে  - ফল্গুধারায় দিচ্ছে  উকি
আমার পতিত মালায় চুমু খায়  ,  সুহৃদ সুজন কোয়ান্টাম হুসেন পীরেশ্বর বাল্মিকি ।   

Read more…

০১। 

বাঙ্গালী কমুনিটিতে বিবি খাদিজার পুনঃ জন্মের দুঃখে
আবার মা ফাতিমা অভিমানে লন্ডনে আবির ছড়ায় ।
হায় বিবি আইসা , ডাকো গো মা উস্টের যুদ্ধ , সিফফিনের সমর
ভাই দিয়ে ভাইয়ের রক্তে দিলটা কে পরিষ্কার করি
মোয়াবিয়ার খেলাফতে আসমানে  ইসরাইল আর জমিনে 'আই এস ‘ এর খোতবা  পাঠ  হোক । 

০২। 

হায় লাশ তুমিতো বেহেস্ত'ই বলে প্রতিশ্রুত
হায় সাহবা, আবু তালহা ,  আবু  জুবাইর
কে কাটিল তোমাদের খানদানি শির, পিরানী মুকুট ?
আহারে জুলফিকার ! এই বুঝি ছিল তোর মনে , হায় বীজ, হায় করবল্লার ময়দান  ?

মাইজির  শামিমা তুমি জানলেনা
নেকাবের অন্ধকারে ঢাকাছিল কাঁচা বয়সের মতো
বেদুইনের দীন , দিনের আঞ্জাম 
ঐ বিষ এখন খেলচে খেলা  দাহলে গজলে , ফুরাতের জলে 
দামাস্কাসের আঙ্গুরে , কুফার খেজুরের ডালে
ফাতিমিদ ত্রিপলিতে বাইজেন্টাইন বমারু উড়ে আল সাঊদের  হিম ভরসায় ।

হায় শামিমা- খাদিজা
হায় বাংলার আঞ্জুমান
যতই ভুলনা মা কে, মায়ের গর্ভকেশরে রাখা ছায়ার আশ্রয়
তোমাদের ডাকছে এখনও , ফিরে এসো মাতামুহুরির কোলে
এই লন্ডনিয়ামের নিমক , সবসিডাইজ স্কুলের টিফিন , সাতকরার ঝুল
বাংলাদেশ 
ব্রীটানিয়া 
তোমাদের জন্মভূমি
তোমাদের চৈতন্য ভূমি । 
তৃতীয় কোন মাতৃভূমি নেই 
না দারুল  ধর্মে  না দামাস্কাসে 

০৩ ।
কেরে তুই হনুমান , কাবিলের ভাই
আমার সুজলা কইন্যারে করিলে নাপাক ?
সদ্য ফোঁটা মগজে ঝুটা মতবাদে মাস্তানা করে ।
- আমিরাতের খাব তুই ?
- পেট্র ডলার তুই ?
- ফ্যাসিস্ত হাশিশ তুই ?
- নফরে হাবসি তুই ?
- না ফরমান খবিস তুই ?
- বহুগামী  খুঁজা হামাদানী  তুই ?
তুই জামদানী বুঝবেনা, পোড়বেনা  খানদানি জীনের আগুন
তুই মর
তুই মর
আফুঙ্গা দিয়ছিস তারে আফিমের বাইতুল জ্বর ।
বতর তুই
ওয়াইজা বতর তুই । ওছওয়াছিল খান্নাস ।

 ০৪ । 

মাইরে , মাইজির লাগিয়া  এক খিলি পান বানাইতে না তুমি
এখন কিলা গোস্ত রান্ধ আইয়ামে জাহেলিয়ার  পদধূলি চুমি । 

'আই এস' কি তোমার মাপের এলজাব্রা বুঝে
নাবালিকার গর্তে বে এখতিয়ারি আনন্দ খুঁজে । 

মধ্যযুগ তবে  কি জিন্স পরে, জর্জীয়  আরমানী , কেলভিন ক্লাইন
শুনিয়াছি তাঁরা মোতাহ বিবাহ  করে  , ইহা নাকি শরিয়তি আইন । 

উনারা টয়লেটে ডীলা-কুলুহ  করেন , চেনে না গো টিস্যু
তবুও ভালো থেকো , মাগো ,  দিস ইজ নট বীগ ইস্যু………।।  

Read more…

ব্রহ্মা ঃ হায় শিবা। শিগ্র এসো ।
         বাঙ্গাল মুল্লুকে চলে যাও
         উছমাটি নিন করে এসো ।

শিব ঃ হে পরম জীবন ধারিকা
         কেন এই অগ্নিপাত
        তাও আবার এক মজলুম
        পরগানার প্রতি?


ব্রহ্মাঃ এখানে মাতা পুত্রের উপর
         পেট্রোল বোমা নিয়ে চড়াও হয়েছে ।

শিব ঃ দুর্গা দুর্গা
        হায় ঈশ্বর !
        যাই একটা ইরোনিয়াম বোমা ফাটিয়ে আসি ।  


ব্রহ্মা ঃ একটা স্টিলথ ত্রি বোমারু নিয়ে যেও
         কোন বাহন নেই লাগাতার অবরোধ চলেছে ।
         ডানা পোড়া দুর্গা পোড়ছে বাংলায়


শিব ঃ  ভয় হয়
         আমাকে যদি সহমরণে যেতে হয় ।

Read more…

কাষ্ঠ লোহা
--------------------

পুংশ্চলী হে কামনার দাই
কবিতার মাই
কবিতার মাই
বহুবিধ রন্তমনির শনি ও মঙ্গল

ধর্ষকামীও কবি
নগরায়ন কাব্যের কমলা বিতান
নাগরিক কবি
পৌর প্রশাসক
রন-রক্তের সমাবেশে দ্বন্ধ মল্লিকা

রমন ও শমন প্রগতির
নভচর নভোচারী
স্থনচ্যুত রমনি সোহাগ
স্থির করে নটির প্রবাহ-
বেনুকা কিরণ
জ্যোৎস্নার জল
দক্ষিনের হাওয়ায়

কবি ও কালসাপ নাচো
অনন্ত নাথ বাড়ু্য্যের মার্গে
মোটফনে হবিয়া হাশর
ফুলসিরাত ভ্রমন পল্লীতে
গীতশীতের কামনা কানন

দুরবনে শুধু ভেসে যাক হাড়গিলা পাখি
করম চাঁদের সাথে দেখা হলে
জেনে নেব, ব্রম্মচার্য্য উত্তর জৈবন ক্ষুধা।

Read more…

০১।

ভাঙ্গা কবুতরের ডানা
ভাঙ্গা ঠোঁটের গাঙচিল
রাঙা অভিমানী শালিক
দাঙ্গা পিড়িত মাছরাঙা

তেজিয়াছিল দেশ খেস অরণ্য জলা
নিষিধ্য ছিল গান করা কথা বলা

তাড়িয়েছিল আর্য্য শাসন
নীল রক্তের মল প্রশাসন-
পদ্মা-যমুনা থকে
ধলেস্বিরী মন থকে
আড়িয়ল খাঁর বংশী থকে

ওরা উড়তে গিয়ে পড়ে গিয়েছিল
ওরা পালাতে গিয়ে ভুলেগিয়েছিল

শুদ্ধমতি জলের মর্মর
শুদ্ধাত্মা ময়না-মতির নগর
পুন্যাত্মা সিতারামারাইয়া গতর

রোদন ভাওনা দিল
বোধন বিসর্জন দিল
গভীর খন্দকে
অন্ধকার গর্ত গুহায়
অনিল পাথারে ইতিহাস বিকৃতিতে

ওরা রাম লক্ষনের কাছে গেল
ওরা বখতিয়ারের কাছে গেল
ওরা বিন তুগলকের কাছে গেল
ওরা রানী ভিক্টরিয়ার জন্য গান লিখেছিল

হরি আব্দুল হলো
জরি জুলেখা হলো
ভেড়াই ব্রাদার হলো
লাগাতার মনত্বর হাড়ের নিমকে খেলো
পুরুত মোল্লা বাবু মিস্টার সবই হোল
তবু পুর্নিমা দেখলা না
চাঁদরানী হলনা পাটরানী

০২।

মৃগানুজ প্রানবেরা
পূত ও প্রাচীন ছিল
সুত ও অচ্যুত ছিল
ধুর্ত শিকারি ছিল
মুর্ত প্রেমিক ছিল

প্রাকৃত জনের মতো
অপভ্রংশ স্থনের মতো
পাপিয়ান প্রানের মতো

বাসছিল চর্যাপদে
কৌমিক ছিল আপদে বিপদে

ধুন ধরেছিল নদী ও বাগ্রের সাথে
খুন করিছিল কুটিলা জটিলা শনি
শিবাষ্ণূ রামায়েত পরেছিলঃ
-সহজিয়া মালা
-তুলসী কাঠের মালা
- হিনযানি মহাযানি মালা
- ফকির সন্নাসির মালা
- বাউলা দরবেশের মালা

ফেরাউন নয়
মালাউন ছিল
মালাউন ছিল
মালাউন ছিল
তাঁরা মালা পরাছিল বেদবেত্তার
তাঁরা সারতসার ছিল জবুর ইঞ্জিল দিনিয়াতের
তাঁরা বৈদিক ছিল বিষয়ী ছিলনা।

তাই পরাজিত কিনিস্কের ঘোড়ার কাছে
তাই পরাজিত রোমান ইস্কান্দরের কাছে
তাই পরাজিত আরব্য উপন্যাস ক্ষুধা ও গল্পের কছে
তাই পরাজিত চেঙ্গিসের তলওয়ার ও ক্লাইভের কামানের কাছে

মালাথেকে ফুল নয় রক্ত ঝরে
মালাথেকে প্রেম নয় প্রদীপ নিভে
মালাথেকে ত্রিবর্গ নির্বান খসেপড়ে ইন্দ্রাভোগ উপনিবেশ

০৩।

হায় মদ মুর্খ মনোহর
হায় মুখুয্যের বটেস্বর
ভুল নাই জড় বা শিকড়
আলাদিন অথাবা ইশ্রাফিল যেই হও
শীতল পাঠিতে রাধা-সখিনার দুখ্য বও

তাই সেই একদিন-
পাখি দানা ছেড়ে দিল
পাখি ডানায় উড়াল তোলে গন্ধক খেলো
পাখি বারুদ হয়ে গেল
পাখি জমদুত হয়ে গেল-

যত গ্লানি ও মন্দার
যত গানী ও মৃত গন্দার
ঠোকর গেলার বদলে ঠোকর বসালো
নকর হয়ার বদলে নকরানী হাকালো

পাখিগুলি নাম পাল্টালতে হিড়িক লাগালো-
যেমন
ক্রৌঞ্চ থেকে কুদিরাম
ময়না থেকে মতিউর
চন্দনা থেকে চার ফর্স
সীতাপাংগ থেকে সেক্টর কামান্ডার
বাজবৈরি থেকে ভাসানী
তিতির থেকে তিতুমির
হরিয়াল থেকে হাজী দানেশ
মনীচক থেকে মনিসিং
---ইত্যাদি--- ইত্যাদি----
মুয়র থেকে মুজিবুর
ময়ূর থেকে মুজিবর
ময়ূর থেকে মুজিবুর রহমান

সুন্দরি গাছের সোনাচড়াই রেসকোর্সে এলে
সুভলং গ্রামের হীরামন রমনার বটশাখে এলে
পরাজিত শিকারী শেষ বান মারে ২৫শে মার্চের রাতে

তারপর ইতিহাসে রক্ত আর আনন্দ
তাঁরপর ইতিহাসে যুদ্ধ আর গৌরব
তারপর পরাজয় পরাজিত পাখিদের কাছে

শিখাবল পাখির মিছিল গিয়েছিল মানুষের দরোজায়
মহাবল পাখিদের হাততালি মিশেগিয়েছিল মানুষের করতালিতে
তাই পাখির ময়ূর দানবের পিঞ্জিরা ভেদ করে ফিরে আসে
১০-ই জানুয়ারীতে পাখিরা আপন রাজা ও রাজত্বে ফিরে আসে ...।

Read more…


----------------------
অন্ধ প্রলয়
----------------------
কটিদেশে ঝটিকা সফর
হঠকারী ঝটিকা সফর
ছিটিয়াল পালে ভ্রাম্যমাণ আরোগ্যায়ন বায়ু
ছিড়িয়াছে বাদামের খাছি, উতাল উতাল

কই যাও নাগেশ্বর বালা
নান্দনিক জল ফল, জলের বাতাস
নুলা করেছ আমার সিদ্ধেশ্বরী সংযম
চুম্বন অরমতা নাশক
চুম্বন মরমৌনতা নাশক
ঘুমবনে আখালি আগুন

অমোগ অশ্ববিধানে
জলচাপ গ্রেনেডের ঢেউ
লেলিয়ে দিয়না ফেউ
লেলিয়ে দিয়না ফেউ
পুরুষ পৌরাসনে মাহাযুগী গ্রামধর্ম
রমাণাভিলাষ
রসনাভিলাষ
শবাসনে শীৎকৃত অভিক কুমার

আও সখি ভুজঙ্গাসনে
চিৎপাত করি ভূমিশয্যার ঝুঁকি
শরিরতো সাবেকী, রতিরাই
জ্বালি অরণ্য নিয়তি
ভগবতি দেহাসণে পুণ্যবতী কালানল

এসো হুলস্তুলে মেদারাগা ভাঙ্গি
এসো হুলস্তুলে নিভিয়ে দেই বৈরাগীর বাজার...............।

Read more…

জ্যোতির্ময় শৃগাল
-----------------------
জয় জাগতিক মাতা
জয় দ্বিধানীতা নিরাময়ি
শিবানী রায়ের পুরাগত কির্তি জাগে-
---অলস্কা ধুনুক
---পুরাগত চোখ
---কালিডহর সমুদ্রে সুবর্ন শৃগাল

ইল্লিন বাগিচায় বনহুর মালী
প্রধান গুণিন ও কাব্য-লস্কর
তামাদীর জঙ্গলে হে কাফের কুকিল
গীত গাও-
---শরাবানে
---শুদ্ধস্বরে
---শ্যামলা শ্রোনীতে
গ্লোকন থেকে কুয়ার্ক দেব-দুর্বিপাকে

ভেট ভেল্কির যুগ-সন্নাসি জুঁইফুল
পদ্মকোরে হালুক রেখে ভালোবাস মংগা মলয়
প্রমিথিউস বনে- এনেছ আগুন
তোমার লটবহের রাখো এই তুলসী আমার

রসকেশর তামাদীতে জ্বলে
তেজাবের হিরল চাবুক হিমেল সায়র
পুষ্পরাগ পাথরের নাম- জানি
গুপ্তরতি বিবসনা দেখ-
-গৈবি অপর্না বিবির ঘোলাটে ময়াল
-অধৌত অয্যোধ্যা শীতে ধাঙ্গড় কামিল
আমিল করেনি মামলা
কুন্তিবাইয়ের পাণ্ডব পাওয়ার স্টেশানে

মুই তা’র কিতা জানি- শৃগালীনি
চক্রধারী জানে- সুদর্শনাও উগ্রকালী
লিঙ্গায়েত বাহুবল রেখেছি বৈজয়ন্তি ভোগে
মুই মোহাম্মদ গোপিনী ভল্লব-অনঙ্গমোহন
ত্রিকালজ্ঞ জ্ঞানে পান করি মুর্খ পুকুর।

Read more…

-----------------------
সালে-এ-ঈসায়ী ২০১৫
------------------------
০১।

ডাইনোসর থিসোরাসদের সময় ইহা গঠেছিল
বহিয়া ছিল বালুকার হাওয়া
মৃগী রোগের নাম হয় এক্লেপ্সিয়া
ইহা জল নয় সম্পূর্ণ বায়ুবাহিত, লো-হাওয়া জনিত।

এই রোগ-গ্রস্থ-গণ ঈশ্বর কে স্বচক্ষে দেখেন
তাঁর রণচণ্ডী মউত মুর্তি দেখে্ন
তাঁর পুরুষ প্রাধান্য দেখেন মাটির পুতুলে
এবং নিজেকে প্রেরিত পাঞ্চাল বলে প্রমাণ করেন।

একদিন তাই গঠেছিল -----
তিনি মনোয়ারার করতল গত হলেন
তিনি তাঁর গতর থেকে নোওরোজ বন্ধ করে
তাঁর সকল কৃতজ্ঞতাকে বাইন তালাকে বন্ধী করিলেন।

এরপর যারা বটমূলে পান্তার আয়োজক
অথবা যে কোন ক্যালেন্ডার বদলালে বলে – শুভ হোক।
তাদের থেকে আমাদের পৃথক হতে সমন দিলেন-
তোমরা তাদের উৎসব গুলি পালন করে
তাদের মতো হয়ো না – নিশ্চয় তারা না ফরমান।

নতশিরে আদেশ শিরের উপর ধার্য্য করে, যাই
স্কটিস উলের ব্লেজার গায়ে অয়েস্ট মিনিস্টার ব্রিজে
টেমসে আলোর ফুলঝরি দেখি, হায় আফসোস
হয় মনোয়ারা তুমি ভালো আছ?বাক্কার অভিশাপে।

০২।
এতো ঘোরাঘুরি করো
বছের নিদেন পক্ষে তিনশ ষাইট দিন
কোন পিল খাও, মাথার চক্কোর দিলনা, হ্যালো বানুমতী

এবার নায় হয় একটু গতি নিলে ভারকেন্দ্রে, রজতকান্তির রংমহলে
পুর্ন রিডাকশন দেয়া হল হিলিয়ামে উদজানে রেডিয়াম উদ্যানে
বর্নসংকর টেস্কটাইল মিলে সেলাই করো ঘাগরি ড্রেসিংগাউন

শিরোভূষণ মৌলী মুকুট যেই হও হে সুর্যনাথ -
বেঁধে রাখো তোমার আলোর জিঞ্জীরে , অন্ধবর্ষ পিতলের নিদ গেলে
আমারা জাগবো তৃতিয় বিশ্বযোদ্ধের মৃতপাত্রের নকশায় কিরীটী ভাসানে।

০৩।
খেদা ঘেরে কবি ও কুকুর
হাতিনীর শুড়ে প্রশংসা নামে যারা ধরিয়াছেন কবি কবি ভাব
আসন্ন পতনশীল উল্কার দিনে
খাব গুলো পুরা হোক তোমাদের , পিনপতন গর্জনে, উপসেবায়

এখনও কি কাদে ঝুলি, খাদির জোব্বা
মোটা ফ্রেমে আরজোমান্দের উন্দাল নিয়ে কবিতা লেখা হবে
তা’ও আবার ল্যাপটপ-ত্রো-হাই প্রিক্সেল ব্লগে
হায় কবি বর- নতুন বর্ষে দেখা করো আত্মং বুদ্ধির সাথে।

Read more…


--------------------
অধীনের বানী
------------------
বুরুংগার জলে কুরুক্ষেত্র জ্বলে ওঠে
রুহিঙ্গা সেনা উদ্দার করে নিমাই গৌরব
দত্তরাইল নবী বংশের গ্রাম
পাঠান বৈরাম খাঁকে হাজার সালাম......
জৈন্তার যোনীতে এইবার কামান দাগাও।

কে গায় বৈষ্ণবী, সখি লো আয় মোর বাড়ি
কুষ্ঠ রোগির সাথে তোর হবে বিয়া
বিবি হাজেরার গন্ধ কেনো তোর গাগ্রির মাঝে
মাথারি সুর্মা কেনো তোর গাং নয়.........
দ্রাবড়ি দেবীর হিঙ্গুলে কে মুই অনার্য বিছাল।

রাত-রংগিলা নিম পাখি ধুত্রা-মধুতে রাখো শুঁড়
বলো-
হরিবোল হরিবোল
ভেলেডেন্সের ডায়াস বিদীর্ণ হলে
তুমি কি আর জেগে উঠবে এই নন্দিশালায় বন্দীশালায়।

Read more…

জিহাদের জেহাদ
------------------

মাই’গো জিন্নরাইন বেহেস্তি খাদেম
তাঁর সাথে দেখা, পাথার কান্দির ড্রেনে

তিনি ঘোরিয়ে নিয়ে এলেন-
প্রজাপতি নমঃ প্রিয়তম স্বর্গেস্বরী কুকাম-নগর
রাদোভ্যান কারাদজিচ সদন
কবি ও কার্গিল সেপাই নির্মিত কসাই বাগান

হায়-লো সখিলা মতঃ অক্সিজেনের পাইপ
-----কেন কইয়া যে গেলা না?
হুর-পরি শান শওকতে কয়তালা পেতেযাচ্ছি
----জিন্নোরাইন বুকে এসো মালি
গালে ‘লাগ্‌-যাও’ কদমে কদমে এই বাংলয়

 

এখন কয় কেজি খাসির গোস্ত
এখন কয় বোতল সরাবে আম্রবাগান
এখন কয় মন গেলমানে মেলা করে
-----ফায়ার ব্রিগেড রাতের ফুল শয্যায়

জম্মনিয়েছিলাম এক মহান অগ্নিপুঞ্জে
সেলসিয়াস এখন নর্গ-উদ্যান অতিক্রম করছে
জেরবার কিরণ মালার লোল জিহ্বায়
দেবগড়ে পৌঁছে দিতে রাজন নীতিও সঙ্গে নিলাম

এইতো নীলফামারীর হুইসেল শুনতে পাচ্ছি
হায় কতো দিন নীলফামারীর ডলফিন গুলি দেখি নাই......

Read more…

অরিন্দমের বস্তু-বিজ্ঞান
অথবা
বাল্মীকির বৈকল্য মঙ্গলা
-------------------------
শিশ্ম-কাল
---------------------------
জয়শ্রী শৈশব শিশ্ম সহোদরা
পাংশু ভুত্বকে শীলাবন বিহারে পস্তর-জান
কলাপাতা রঙের আলো দিয়ে সাজানো জাহান্নামে এসেছিলে
সেরা পেনিনসুলায় সেরা জুলীয় কুরির মতো

হায় কচুপাতার পানি যৌবনের জলন্দর নানক
কচুরিপাতার ঢগায় মলা মাছেদের মাথার মুকুট
একফলা মিরতিংগার হর্পুনে বিমগন ছিলে শর্মিলা ঠাকুর বনে।
---------------------------------
বিমলা
-----------------------------------
রক্তে বালুর বস্তা উপছে পড়ে
রক্তে থিকে থিকে ক্যালকেনিয়াম গৌরব

চর মনা, হাতিয়া, সন্দ্বিপ,‌ চর ফ্যাসান ভোঁ দিচ্ছে জলে
চাঁদপুর চ্যানেলে নামিয়াছে রাত অমাবস্যায় কীর্তিভাঙ্গা
হিলসা-ইলসায় গনহত্যার মতো যৌন আনন্দ বয়েযায়

তবুও লাল জালিয়ার চোখে ছেলেধরা তটভুমি জোড়ে জলকরঙ্ক
আলীবন্দনে নগ্নিকা নারী, তীরে থেকে ডাকে বিমলার মেঘমন্দ্রিতা রবে।
-------------------------------------
অসভ্য-মুনি
------------------------------------------
শ্রিকুন্ডেস্বরী রাতে ভগবান গোলার চণ্ডী গোল বাধিয়েছে
অমানিশা গুলি কেটে দিচ্ছে চন্দ্রাবতীর ঝুনা নারিকেল রেতে
সুতারনালী সর্প রানু-ভাবীর ঘরের মেজে হিং দিয়েছে চোরা

রানু-ভাবী ঘুম ভাঙ্গানোর তরবারী তোমাকে ঘুম পাড়াচ্ছে
তোমার শাড়ী ও ছায়াকোটে শুক্রমদনের গন্ধে সমগ্র শহর উতালা
মৃতদেহে কিভাবে পারো এতো তরঙ্গময়ী হতে------------
রানুভাবী তুমি সরালি হাঁসির খরালী মৌসুমে অনন্ত শুক্রবাহ।

Read more…

বড় দিনের শুভ কল্প রাজ্যে বিচরণ মনেরেখে
---------------------------------
বেথেলহাম খুড়ে নৃবিজ্ঞের কুদাল
বেথেলহামে টাংগানো নৃবিজ্ঞের মশারি।

মাকড় পোড়া গন্ধ লেগেছে ক্রুশে
মথের শিশুরা বের হয়ে আসে ক্রুস-কাঠ থেকে
শোষণ ও ধর্ম-বিপ্লব সমজাতিত্বের দেহে
মানব সংকৃতি ও বাঘ্রনোখের অভিন্ন ইতিহাস লেখা।

শূয়র ও শিম্পাঞ্জীর জন্মবিজে মানুষের ছবি
নবুওতীর দাবীতে শাখামৃগ মসগুল
বুদ্ধির কোন স্থরে তখন হিলিয়াম কিনিকা
উত্থান ও যবনিকা ব্রেকেট বন্ধী
এর পুর্বাপর কিচ্ছু জানেনা এন্থ্রপলজিস্ট ।

চতুষ্পদীদের শিং আছে
তবুও পানাহার হলেই ব্যাস ঘুম আর নিদ
আমদের জেসাস কে তালাভাংতে হয়
পেট ও প্যাগার্ডোর অন্তরে সূদের ব্যাংকিং ।

দুস্কুল গুলান ‘লোয়ার ক্লাসের’ যাত্রি
ইসা নবী বলেছেন ঈশ্বর পুত্র স্বরূপে
হে ঈশ্বর তুমি তো চেতনায় ক্ষীয়মাণ
সমাজের অবর্বাচিন অর্বাচিন থেকেগল ।

রাজা রায় অথবা রজনী মোহন কাম
চুরসিগম্বুজ মসজিদে এবং দেওকলশের মন্দিরে বসেন
তাতেই জগত লালন করে বর্ন-ক্ষত্রিয় জয়ন্তী
একটা বড়সড় দিন দেখে মরিয়মের পুষ্প উৎসব হয়।

শুভ জন্মদিন হে এজলাসের জেসাস
পরান্নে পালিত ম্যামলদের জ্ঞাতিসুত্রের আলো
তোমার চাইতে অনেক বেশী জ্ঞানি ও গুনি
আল্পস ও হিমালয় কে বলি ভিন্ন পাহাড়।

একটা ছুট-খাটো দিন দেখে
মজ্জার ভিতরের পরগানা প্রেম ভেদ করে
কূলজ্ঞনে একমাত্র মানব পরিচিতি রাখো-
ইয়াহুদের অট্রালিকায় লাগিয়ে দাও প্রেমের আগুন
ভষ্মহোক লেপটপ, সিটিগামি ভোরের ট্রেন
এবং স্টক এক্সচেঞ্জের ব্রোকার, ব্রা ও ব্রেসিয়ার।

Read more…


'ইয়াসমিন পলিন ও স্নিগ্ধাদের' উপর হামলে পড়েছে যারা লন্ডনে
অভিশপ্ত মোজেশের দল, কি চেতনায় তবে নম্রুদের দাশত্বে যাও
দেশপ্রেম তোমাদের হাতিশাল, ব্যাংক অব বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ
আমাদের মজগে বাংগালের  গুনপোকা , মাতামুহুরির ফুলে ভেসে যাই

ওয়াজিরিস্তানের তালেবান নদীতে মর্টার মিসাইল গ্রেনেড ফুসছে
ও- মেয়েরা, ঐখানে জ্বালা মুখে চুনকালির পোস্টার সেটেছ
নমঃ মাতৃ শক্তি, শক্তিমাতা, কপালিকা কুঞ্জকুটিতে ধরে শিবা কে নাচাও
অমলা কমলা রোদ স্নান পুর্বে রক্ত জলে যদি ঘাম ঝরে ঝরুক

প্রচণ্ড মাথা ধরেছে
তোমাকে খেতেই হবে, গুনপোকা
বিশ্বম্বরপুর নদে ভাসিয়েছি হাড়ি
করুনা উদ্রেককারী মগজাংশ বিচ্ছিন্ন হোক দেহাংশ থেকে

রাষ্ট্র রতির সম্পদ
কামিনীর লৌহ লাবন্য বীর ভোগ্যা জানি
হায় পেরেশানি – আমদের ঘুমিয়ে রাখ রজরক্তের ঘুমে
যে নদে সাঁতার কেটেছে ঠাকুম্মার ঝুলি, বাংশবদ কাপুরুষ

আমাদের কেনো বার বার মরতে হয়
মর্তে কেনো গোলাপ পাপড়িতে সায়ানাইড নেই
কেনো বজ্রমল্লিকা গ্রামে বেশ্যা সমাজ কেতাদুরস্ত
সবাই শুভ্রকান্তি নদরে সদর খুলে বেড়িয়ে বেড়ায়

আমাদের হত্যা করো ত্রিভুবন বল্লমে
কে তোদের স্বর্গে যাবে মর্গের ইট কংক্রিট
মার্জিত আর্জিতে অশ্রুর উরু ফাটা চিৎকার
বধীর শাক্যমুনি উলঙ্গ হও গোয়েন্দা দপ্তরে

কোবাল্ট নিকেল, মৃত গুলি মসৃন বিস্মৃতি
তবুও শহীদ মিনারে কিছু প্রেত হিংসায় পোড়ে
অসহায় সাদা সাদা বেলী গুলির নিস্তার নেই
ওদের শাড়িতে নাকি হাবিয়া দু্যখ, তাঁরা দেখে

লজ্জ্বা করেনা আওরাত পুত্রগন মদপ্য মেখরিল
নাপিকিস্থানের ভুতের উপর এতোই আস্থা তোদের
তাওরাতের মতো রানীগঞ্জের নারীদের চিনতে পারোনা
বুলুয়া-বলদের মাতৃভুমিতেও এসব লজ্জ্বা করালে ঢাকেনা

আম্মা আম্মিজান স্বরূপ কৈলাশ শৃঙ্ঘ সমূহ গুড়িয়ে দাও
তোমাদের পক্ষে নারী সুভাদ্রা নদের জল অপবিত্র হলো
তোমরা যষ্টিমধু বরপুত্র, গডফাদারের বুক আলো করে
সোনারগাঁ ,ব্রিকলেন, মাতালগড়ে  নটরাজী হাসো--------

Read more…

 জল ভাসছে জলাতঙ্কে
 জলের ছত্রাকে এই ছায়া কার?
 জলের ছিদ্র রুগে ভাসছে ভাসানের ইথানল ইরাবতী গাঁও

তৃষ্ণা ছুবল খেয়ে জ্বলে উঠে অন্দ্রপ্রদেশে
প্রেমান্ধ প্রেমান্ধ বলে কবিরাজ অন্ধশিকারী
 
নদী দেখলে প্রাণ যায় উড়িষ্যা বন্ধরে
চোখের জলেও তরঙ্গ ঢেউ হতে পারে
ঢেউয়ের জোয়ারে চিতা-বাঘিনির দেহ ভাসে
ঢেউয়ের জোয়ারে ত্রিফলা কুচার শুল বিঁধে


 কে যাও চলকে পলকে  নিধুয়া সাগর বেয়ে
 গাঙ্গ পারের পাহাড়ী হে  দুর্গম মন, তোমিওতো প্রেমিক বিষাদ
 সুজন জেনে মৃত যতো জলপাখি
 তোমারেও ডাকি ডাকি হীম হ্রদে তোলেছে প্রাসাদ

রক্ত আমার বহু রমনীর অগ্নি সবুজ সরিসৃপ বাজপাখি
নীলগিরি পর্বতের পোড়ে যাওয়া খাদের গহীন, অলকা তাবিজ
ওজা ও গুণিন
রাজনটির মৃতদেহ সম্ভোগ শেষে ! আমার রক্তে খেলে নাগপঞ্চমী

এই অ-মঙ্গলা কুলটা রাতে আমাদের মৃত্যু হয়েছিল সৌরাটে
অনন্তনাগ সেই যাত্রার টিকাধারি শোভাধারি বরযাত্রী ও বটে
তারপর-
    যারা হৃদয় হীনতা কারে কয়? ধাবাখেলা না হাউসের পাশা?
    যারা লাসভেগাসের দাও মেরে গভীর সমুদের খুঁজে নেশা
    যারা প্রেমটাকে পকেটে না রেখে রেখিছল পিতামহের সিন্ধুকে
এদের ছত্রছায়ায় অন্ধ-চালক সহ জাহাজের মতো নিষ্কলঙ্ক হয়ে  আছি।


             তারপর-
পরিভ্রমণে শ্রান্ত চরণের চাইতে পথ গুলির ক্লানিত অনেক
মাগ-অসতীর মতো জ্বালা গায়ে পানির ফূয়ারায় ইথানল শিকল

ফুল শয্যা বিদ্ধস্থ হয়নি ডাকাত পড়েছিল
ফুল শয্যা মেঘবদেন ঢেকে যায় অশনিতে

শরীরী বঙ্কিম হয়ে চন্দ্রচিতায় জ্বলে
শরীর শরত হয়েও চন্দ্র পাতায় রূপ ধরে

সুবোধ কিশোরী আঁতকে উঠনা- ভাদ্র সতীন
অষ্টমঙ্গলা গেয়ে যায় নিশিরাত বিনোদ কুমার
তোমার পেক্ষাগৃহে হে কালকূটপায়ী সুর্য মৃণালী

তুমি যদি নারী হলে-
তবে কির্তনখোলা কেন নদী হল, রাত কেন পাখি হলো
চোখ কেন জল হলো,  পরিশেষে চাঁদ কেন তাঁরা হলো
কন্যাকুমারী সেলে গুপ্তপতি কেনো আকাশের নাম হলো

জানে- প্রানরোন তপ্তবালুকা পুন্নাম খেস
হায় নরক নরক খেলা স্বর্গ সকাশে অনুঢ়া বয়স
নির্গাত মরে আছি গোনাগার সদনে বহুত্ব বাদী প্রেমের পুকুর
তোমার পরম পার্থিব দেহে লেপ্টে রাখি দিব্যচুক্ষের রস
ব্রহ্ম-সম্বন্ধী আমার ধর্মধীক্ষা দাও
তোমার দেহ ধর্মে যেনো  হতে পারি কুঞ্জদার রঞ্জনিসি ঘোড়া।

Read more…