<

Blog (ব্লগ)

এও তো প্রেম

আমি মানুষটা আসলেই একটু হিসেবী। নাঃ, এই হিসেবীর অর্থ কীপ্টা নয়। কৃপণ হবো কেন ? আমার কীসের অভাব ? আসলে আমার হিসাব মিলাতে হয় অন্যখানে। আমার যেকোন কৃতকর্মে আমি একেবারেই ব্যর্থ হতে চাইনা। হইও না। এটা আমার ধাতে নেই। কুষ্ঠিতে নেই। যা করি, যে টুকু করি অর্থাৎ যে কাজটি করি, তা ভেবে চিন্তেই করি। আর আমার দ্বারা কৃত কাজ কোনটাই শতভাগতো নয়ই ফিফটি ফিফটি ব্যর্থতাও আমি মেনে নিতে পারিনা। হয়ওনা। অতএব জীবনে আমি একজন সফল মানুষ। আর এটাকেই আমি আখ্যায়িত করি আমি একজন হিসেবী মানুষ হিসাবে।

আপাদমস্তক সফল একজন মানুষ মানেই সব কাজে সফল। অতএব প্রেমেতো অবশ্যই। বয়সকালে সর্বমোট কতটি প্রেম করেছি, কতো মেয়ের সাথে যোগ পরিচয় হয়েছে তা বলতে গেলে সময় দীর্ঘ লাগবে। মুখ্যগুলোই অনেক বেশী। আমার সাথে যে আড্ডা দিলো, পামতলায় গিয়ে বসলো, বাদাম চানাচুর খেলো, রেস্তোরায় চাইনিজ কিংবা পিৎজ্জা খেলো। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বা নাটক থিয়েটারের দর্শক কাতারে প্রথম সারিতে আমার পাশে বসলো। ভরাট কণ্ঠে কবিতা আবৃত্তি কিংবা দরাজ গলায় গান গেয়ে আমাকে সময় সময় উদ্দীপীত করলো। সুন্দর সুন্দর পর্যটন স্থানগুলোতে বেড়াতে গেলো। এমনকি দাবী আদায়ের আন্দোলনে আমার সাথে মিছিলে মিছিলে, শ্লোগানে শ্লোগানে রাজপথ কাঁপালো। স্বৈরাচারের কারাগারে আমি যখন রাজবন্দী। তখন প্রতিনিয়তই কারাগারে আমার জন্য খাবার বা ফল-মুল নিয়ে গেলো। বিপ্লবী কবিতা কিংবা মার্কস লেনিনের জীবনী বই পৌঁছে দিলো। আমার অসুস্থতার খবর শুনে রাত-বিরাতে, আমাকে দেখতে গেলো, সেবা-শশ্রুষা করলো। এহেন সবগুলো বিষয়েই আমার সাথে যৌথ থাকলো। অবশেষে যদি একদিন কোন বিপনী বিতানে হঠাৎ তাকে অন্য কোন পুরুষের সাথে হাটতে দেখি। অথবা তার বা তার বান্ধবী কিংবা ননদ জা কারো না কারো সাথে সিঁথিতে সিঁদুর দিয়ে মার্কেটে সপিং করতে দেখি। অথবা আমার সাথে ঘুরলো বেড়ালো, অনেকদিন ধরে মন দেয়া নেয়া হলো। আমার গাড়িতে কিংবা সাইকেল বা মোটর সাইকেলে চড়ে ঘুরে বেড়ালো, সে যদি একদিন নিজে এসে অথবা ডাকযোগে আমাকে তার বিয়ের নিমন্ত্রণপত্র পাঠায়। আমি কখনো বিচলিত হইনা। নার্ভাস ফীল করিনা কিংবা ব্যর্থতার গ্লানী মনে করে বিমর্ষও হইনা। আমি তার বিয়ের তারিখ ক্ষণ স্থান আমার ডায়রীতে লিখে রাখি অথবা কার্ডখানা টেবিলের উপরে চোখের ধারেকাছে রাখি। নির্দিষ্ট দিনে ঠিকই সেখানে নিমন্ত্রণ খেতে যাই। খাই দাই স্ফূর্তি করি। চোখে পড়ার মতো করে উপহারও দিয়ে আসি। হয়তো কখনো কখনো সে সব কোন বিয়ের আসরেই অন্য কারো সাথে দেখা হয়, পরিচয় হয়। নতুন যোগাযোগও শুরু হয়। আমি ব্যর্থ মনে করিনা। এটা ব্যর্থতা নয়। কারণ আমি গোড়া প্রেমিক বা প্রেমের ক্ষেত্রে মৌলধারণায় আটকে থাকার মানুষ নয়। প্রেম বা ভালোবাসার সম্পর্ক হলে তাকেই বিয়ে করতে হবে। সে ই সারা জীবন লেপ্টে থাকতে হবে আমার সাথে বা আমি তার সাথে। এমনতো কোন কথা নয়। অন্য কারো জন্য সে হারাম হয়ে যাবে, এ তো অনেক আদি চিন্তা চেতনা বা ভাবনা। অন্য কারো সাথে তার বিয়ে হয়ে গেলেই সে হারিয়ে গেলো, তাকে আমি হারিয়ে ফেলেছি। আমি ব্যর্থ, ইত্যাদি এমন কথা আমি ঘূর্ণাক্ষরেও ভাবতে পারিনা। আমার সাথে কোন সম্পর্কই বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়নি। চিরতরে আমি আমার কোন ভালোবাসার মানুষকে হারিয়ে ফেলিনি। তিন চার সন্তানের জননী হয়েও আমার খোঁজ খবর নেয়। আমিও। ভালোবাসা তো কর্পূর নয় যে, তা বাতাসে মিলিয়ে যাবে।

বয়স এবং সময়ের সাথে সব কিছুই সমভাবে চলে। কিশোর বয়সে পাঠশালা, খেলাধূলা। ক্রমে তা বিদ্যালয় উচ্চবিদ্যালয় মহাবিদ্যালয় বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত যেমন ধাপে ধাপে গড়ায়। তেমনি প্রেম ভালোবাসা বিয়ে সংসার সন্তান সব কিছুই সময়ের ¯ স্রোতের সাথে তাল মিলিয়েই প্রবাহিত হয়। 

বয়স এবং নিজের অবস্থান যখন খুব পাকা-পোক্ত, দৃঢ়। ঠিক তখনই পারিবারিক ভাবে শুরু হলো পীড়পিীড়ি। বয়সও হয়েছে। একেবারে উপযুক্ত। অবশ্য আমার কোন পরিচয় জানাজানি অথবা সম্পর্ক থেকে থাকলে তা জানালে সেখানেই অগ্রাধিকার দেয়া হবে বলে অভিবাবক পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হলো। কিন্তু আমার কাছে এ ব্যাপারেতো ভালো কোন তথ্য ছিলোনা, কী দেব ? যদিও তখনো হাতে কয়েকজনই অবশিষ্ট ছিলো। লক্ষী বিমলা পরিমা কিংবা জয়া। আর কালো নয় ঠিক, একটু রঙ ময়লা বলা যেতে পারে, অনেকটা যেন শ্যামলা; সেই মেয়েটার কথা। না থাক। তার নাম বলছিনা। নাঃ। অন্য কোন কারনে বা লুকোবার জন্য নয়। ওর আসলে নাম কয়েকটা। সব ক’টি নামেই আমি ডাকতাম। তাদের বাসায় প্রায় রোজই যেতাম। খেতাম। কখনো থাকতামও। তার মা বাবা অবশ্য ভিন্ন নামে না ডেকে তাকে তারা তাদের নির্বাচিত অবশ্য ভিন্ন দু’টো নামে ডাকতেন। আমি যখন শেষ-মেষ তাকেই বিয়ে করবো বলে স্থীর করলাম। তখন একজন হিসেবী মানুষ হিসাবে তাকে একটু বাঝিয়ে বা ঝালিয়ে নিতে চাইলাম। আর এই হলো আমার কাল ! না ঠিক দূর্ভাগ্য গোছের তেমন কিছু নয়। তার সাথে আমার আর ঘর বাঁধা হলোনা, এই আরকি ! যখন মনোস্থীর করলাম অভিবাবক মহলে এই মেয়েটির কথা জানাবো যে তাকে তারা চাইলে আনতে পারেন। ঠিক তার আগে আমি নিজেই একদিন তাকে বিয়ের প্রস্থাব দিলাম। সেও মাথা নাড়া গোছের মৃদু সমর্থনও দিলো। যেন ভাবখানা এরকম যে, প্রথমেই তুমি যখন প্রস্থাব দিচ্ছ তাই আমি রাজি। আগ্রহ আমার প্রবল হলেও আগবাড়িয়ে তুমিই যখন নিচ্ছ তাই ভবিষ্যতে কখনো প্রয়োজনে বলতে পারবো ‘‘বিয়ের প্রস্থাবতো তুমিই করেছো’’। যদিও আমি তার মাথা দোলানোর ভঙ্গিতে মনস্তাত্ত্বিক ভাবনা-বিশ্লেষনে তাই বুঝলাম। তবু পরেরদিন একটা কাগজে কতোগুলো বিষয়ের তালিকা লিখে তার হাতে দিলাম। সে যেন পড়ে বুঝে প্রয়োজনে আমার সাথে আলোচনা করে তার সিদ্ধান্তটা জানায়।

তালিকায় মূখ্য বিষয়গুলোর মধ্যে ছিলো ঃ বিয়ের পর আমি হয়তো খুব ভালো ভাবে খাবার কাপড় গহনা বা সখ মেটানোর মতো তেমন কিচু দিতে পারবোনা। যেহেতু আমি একজন মধ্যবিত্ত্ব এবং নিতান্তই কম আয়ের মানুষ তাই বৈষয়িক ভাবে হয়তো খুব একটা লাভবান হওয়া যাবেনা। হয়তো কষ্টের জীবন চালাতে হতেও পারে, ইত্যাদি। আবার যা দিতে পারবো এবং খুব বেশী করে দেয়ার নিশ্চয়তা বা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ছিলাম তা হলোঃ প্রেম। ভালোবাসা আমি কানায় কানায় দিতে পারবো বলে নিশ্চয়তা দিয়েছিলাম। আর এটাই হলো আমার কাল। হীতে বিপরীত। দু’দিন গেলো। তিনদিন গেলো। সে আমাকে কিছু বলছেনা দেখে আমি নিজেই বিষয়টা উত্থাপন করলাম। তার মাথা দুলিয়ে ইতোপূর্বে দেয়া সমর্থন সম্মতি যেন আজ সে প্রত্যাহার করে নিলো। বললঃ এতো শর্ত দিয়ে আবার বিয়ে হয় নাকি !

প্রেম ভালোবাসার বিয়ে যেমন হচ্ছেনা। তেমনি আত্মীয় স্বজনের খোঁজ করা অথবা ঘটকদের নিয়েআসা প্রস্থাবগুলোতে যখন বিয়ে হচ্ছেনা, Ñসন্মন্ধ করা যাচ্ছেনা। এমন সময় আমার বন্ধু রণজিৎ একটা মেয়ের খবর নিয়ে এলো। সুন্দরী, অর্থ বিত্ত্ব, উচ্চ বংশ, ভদ্র শিক্ষত পরিবার অর্থাৎ মেয়ের পক্ষে তার বর্ণনা শুনে আমি ততক্ষণে ইহজগতে আছি না বেহেস্তে আছি তা বুঝার জন্য নিজের গায়ে কতেক চিমটি কেঁটে দেখি। নাঃ, আমিতো বেঁচেই আছি, জেগেই আছি এবং ইহজগতে বহাল তবিয়তেই আছি। আর যা হোক রণজিৎ তার প্রস্থাবিত মেয়েটির সুন্দরের যে বর্ণনা দিলো তাতে আশে পাশে ভগবান থাকলে মনে হয় লজ্জাই পেতেন। বেহেস্তে হুরপরী নিশ্চয়ই এর থেকে সুন্দরী নয়। অথচ এই হুর সম্পর্কে বলে এতোকাল মানুষকে প্রলুব্ধ করা হচ্ছে। আসলে রণজিৎও গড্ডালিকা প্রবাহে ভেসে বেড়াচ্ছে। আমার যে কালো বা রঙময়লা মেয়েই পছন্দ তা সে আমার বন্ধু হয়ে এতো দিনেও বুঝতে পারেনি।

এখন এসব ক্ষেত্রে অবশ্য আমার বউ খুবই চৌকস। আমার নাড়ি নক্ষত্র সবই তার নখদর্পনে। তার জানা হয়েগেছে সবকিছুই। আজকাল প্রায়ই আমাকে কথা প্রসঙ্গে বলে থাকেনঃ তুমিতো আমাকে বিয়ে করে খুবই ঠকেছ। তোমার জন্য আমার দুঃখ হয়। এতো বাছাবাছি করলে, কিন্তু ভাগ্যে তোমার ঝুটলোনা রূপালী ইলিশ ! তোমার এতো শক্ত জাল ফুঁটো করে সব ভালো-রসালোগুলো তো বেরিয়ে গেলো ! এতোগুলো মেয়ে হাতে পেয়েও...

যৌবনে যারা যারা বন্ধু ছিলো। ভালোবাসার নিখুঁত সুন্দর ঘরে আমার সাথে ছিলো। এখন এ বয়সেও যারা যারা এখনো বেঁচে আছেন তারা আমার সাথে সম্পর্ক রাখেন, যোগাযোগ রাখেন। কোনায় ফুল তোলা নামলেখা রুমালে এখনো আমাকে জড়িয়ে ধরেন। খোঁজ নেন। আমার কীর্তি নিয়ে মাতেন, আলোচনা করেন। এমনকি আমার স্ত্রী সন্তানের খোঁজ খবর পর্যন্ত রাখেন। আমিও পারত পক্ষে তাই করি। আমার সেই ভালোবাসার চাদর দিয়ে জড়িয়ে রাখি...

ভালো যোগাযোগ হয় সে মেয়েটির সাথেও। তারও নিজের অগ্রসরমান জীবন এবং ঘর সংসার সুখের বাগান নিয়ে সে ব্যস্ত দিনকাল পার করে। তবু আমার খোঁজ খবর প্রায় প্রতি নিয়তই নেয়। আমারও তাই। কৃপণ হবো কেন ? আমিও করি। কোন হিসাব মিলাইনা। আগ-পীছ করিনা। প্রাণ খুলেই সব করি। খবরাখবর নেই, ভালোবাসি।

দুজনে দুই শহরে থাকি। দূরে দূরে। জীবনের তাগিদে। একদিন তার শহরে একটা কাজে যখন গেলাম। এমনি কাকতালীয়ভাবে আমাকে ফোন দিলো। কথা হলো। জানতে চাইলো বরাবরের মতো আমার সব খবরাখবর এবং কুশলাদি। এক সময় কথা প্রসঙ্গে আমি যখন তার শহরে এসেছি তা জানালাম, সে যেন লাফিয়ে উঠলো। মনেকরি তার অনেক দিনের না ফোটা কলি পাপড়ি মেলতে শুরু করলো। সে কেমন যেন অস্থীর হয়ে উঠলো। আমি কোথায় উঠেছি, কবে এসেছি, এখন কোথায় আছি ইত্যাদি প্রশ্নের পর প্রশ্ন। আমি শহরের নামকরা একটা ডিপার্টমেন্টাল ষ্টোরে তখন কিছু কেনাকাটা করছিলাম। বলে দিলাম সে স্থানটির কথা। ঘটনাচক্রে অনেকটা কাকতালীয়ভাবেই সে এর কাছাকাছি একটা টেইলারিং দোকানে বা কাপড়ের দোকানে কেনাকাটা করছিলো। জানতে চাইলো আমি কতক্ষণ আছি সেখানে। এইতো, যতক্ষণ কেনাকাটা করতে সময় লাগে টাইপের জবাব দিলাম। ভালোমন্দ আরো দু’চারটে কথা শেষে উভয়েই ফোন রাখলাম।

এর কিছু সময় পরেই আবার আমার মুটোফোন বেজে উঠলো।
-কই ? আপনি এখন কোথায়?
-আমিতো বাসায়।
-আপনি মিথ্যা বলেছেন কেন ?
-নাঃ। মিথ্যা নয়।
-আপনি এতো তাড়াতাড়ি দোকান থেকে চলে গেলেন ?
-হ্যাঁ, কিছু ক্রয় করতে গিয়েছিলাম। তা করেইতো ফিরলাম। তোমার সাথে তখনতো কথাও হলো।
-হ্যাঁ বাবা হ্যাঁ। এজন্যইতো আমি তাড়াহুড়ো করে ঐ দোকানে আসলাম আপনাকে দেখবো বলে। অনেকদিন দেখিনি আপনাকে।

অনেকদিন আগের সেই স্মৃতি আমার তখন মনে উঁকি দিলো। তাকে আমি বিয়ের প্রস্থাবের সময় যে শর্তের ফর্দ লিখে দিয়েছিলাম। তাতে প্রচুর প্রেম এবং বুকভরা শতভাগ ভালোবাসা দেয়ার নিশ্চয়তা দেয়া থকলেও ঠিকমতো খানি-কাপড় দেবার প্রতিশ্রুতি ছিলোনা। তাই আগ্রহ থাকা সত্বেও সে আমার সাথে এমন দূরুহ কঠিন পথ চলতে অপারগতা দেখিয়ে ছিলো। সতর্ক হরিণীর মতো আজও সে সেরকম আছে বলেই আমার কাছে মনে হলো। এমূহুর্তে তার কাছাকাছি আমার অবস্থান বা উপস্থিতি। এজন্য সে আমাকে অন্ততঃ একনজর দেখতে চায়...

দেখতে চেয়েছিলো ঠিকই। কিন্তু সামনা সামনি হয়ে নয়। ঐ দোকানের কথা শোনে তার বাইরে থেকে অথবা নির্দিষ্ট কোন দূরত্ব থেকে শুধু একতরফা নিজেই দেখতে চাইছিলো আমাকে। এতো বছর পর দেখতে কেমন আছি, কীরকম আছি ? সেরকম উৎসুক্য থেকে। আসলে এও তো এক ধরণের প্রেম।
***

Email me when people comment –

You need to be a member of আমাদের বাংলা to add comments!

Join আমাদের বাংলা

Comments

This reply was deleted.

ইচ্ছে

আমার প্রথম কবিতা ছিলআনকোরা হাতের চাপে ক্লান্ত,শেষ কবিতা হয়ে উঠুকউজ্জ্বল এক নক্ষত্র ।প্রথম ভালবাসা ছিল ইচ্ছেনদীশেষ ভালবাসা হোক সমুদ্রসাক্ষী।
Read more…
Comments: 0
Sarwar-E Alam updated their profile photo
Tuesday
পীযূষ কান্তি দাস commented on Moynur Rahman Babul's blog post এও তো প্রেম
"সুন্দর গল্প ।
ভালো লাগলো ।"
Jan 17
Moynur Rahman Babul posted blog posts
Jan 17
পীযূষ কান্তি দাস commented on বকুল দেব's blog post সে তুমি , আমার বাবা
"বাবা তুমি জ্বেলেছিলে
সত্যের আগুন এই মনে ,
তোমার আলোয় ভাসছি আমি
প্রতিদিন আর প্রতিক্ষণে ।
এই ভাবে পারি যেন
থাকতে অবিচল ,
প্রনাম জেনো লক্ষ -কোটি
আশীর্বাদে পাই বল ॥"
Jan 17
Hasan is now a member of আমাদের বাংলা
Jan 16
পীযূষ কান্তি দাস posted blog posts
Jan 16
পীযূষ কান্তি দাস liked পীযূষ কান্তি দাস's blog post "অভিমান"
Jan 16
Moynur Rahman Babul liked Moynur Rahman Babul's blog post এও তো প্রেম
Jan 15
পীযূষ কান্তি দাস commented on ইকবাল হোসেন বাল্মীকি's blog post ক্ষুদে গল্পঃ-১, কিছু সত্যকাণ্ড শুনে লঙ্কাকাণ্ড করিবার ইচ্ছা হয় - ইউ এন ও সমাচারঃ
"বা বা ভালা লাগল"
Jan 15
পীযূষ কান্তি দাস is now a member of আমাদের বাংলা
Jan 15
Moynur Rahman Babul posted a blog post
        অনেক কথা ছড়ায় ছড়ায়বলিতে পারিনা খুলেকিজানি মারে, পুলিশ ধরেমামলার খড়গ ঝুলে । মোল্লার কথা বলিব কিছুকিন্তু ধর্মে ভয়দেবতার বলি ঠাকুরের কাজেতবু পুরোহিত রয় । নেতার খেলাপ যদি বলা হয়আমার ছড়ায় কিছুহয়তো নেবে তার হুকুমেচেলাচামুণ্ডা পিছু । পুলিশের কথা বল…
Jan 5
GAUTAM NATH updated their profile photo
Dec 8, 2017
GAUTAM NATH posted a blog post
আমার প্রথম কবিতা ছিলআনকোরা হাতের চাপে ক্লান্ত,শেষ কবিতা হয়ে উঠুকউজ্জ্বল এক নক্ষত্র ।প্রথম ভালবাসা ছিল ইচ্ছেনদীশেষ ভালবাসা হোক সমুদ্রসাক্ষী।
Dec 8, 2017
GAUTAM NATH is now a member of আমাদের বাংলা
Dec 8, 2017
Moynur Rahman Babul posted a blog post
আমি মানুষটা আসলেই একটু হিসেবী। নাঃ, এই হিসেবীর অর্থ কীপ্টা নয়। কৃপণ হবো কেন ? আমার কীসের অভাব ? আসলে আমার হিসাব মিলাতে হয় অন্যখানে। আমার যেকোন কৃতকর্মে আমি একেবারেই ব্যর্থ হতে চাইনা। হইও না। এটা আমার ধাতে নেই। কুষ্ঠিতে নেই। যা করি, যে টুকু করি অর্থা…
Dec 3, 2017
Moynur Rahman Babul posted a blog post
পাশাপাশি ফ্ল্যাটে থাকেলক্ষি আর বিমলারনজিৎ তার বিপরীতেএকদম একেলা।রোজদিন যেতে আসতেচোখাচোখি হয়ভদ্রতায় খাতির করেহ্যায় হ্যালো কয়।লোডশেডিং প্রতিদিনহয় দুই ফ্ল্যাটেসেসময় বিমলারাবারান্দায় হাটে।খোলা চুলে হাটাহাটিরনজিৎ দেখেবের হয় চাদর গায়েখুসবো মেখে।খুসবোতে মা…
Nov 26, 2017
এস ইসলাম posted a blog post
কবি শফিকুল  ইসলাম উদভ্রান্ত যুগের শুদ্ধতম কবি শফিকুল ইসলাম। তারুণ্য ও দ্রোহের প্রতীক । তার কাব্যচর্চ্চার বিষয়বস্তু প্রেম ও দ্রোহ। কবিতা রচনার পাশাপাশি তিনি অনেক গান ও রচনা করেছেন। তার দেশাত্ববোধক ও সমাজ-সচেতন গানে বৈষম্য ও শোষণের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে…
Nov 26, 2017
এস ইসলাম updated their profile photo
Nov 17, 2017
Moynur Rahman Babul posted a blog post
কলম ঘষে সুকুমারলিখে যান ছড়ামাসুল তাকে দিতে হয়বড় বেশী চড়া।ছড়ায় লিখা ভাষাগুলোলিখা হয় কড়াপুলিশ র‌্যাব খোঁজে তারেনিয়ে হাতকড়া।তেল মারার নীতি নাই লেখা সব ছড়াসত্যকথায় ছন্দগুলোচোখ ছানাবড়া।কড়া ভাষা সুকুমারেরছন্দঘর গড়ালেখা জোখায় দিতে হয়দাম তার চড়া।চড়া দামের ছ…
Nov 3, 2017
Moynur Rahman Babul posted a blog post
পঁচিশ বছর আগের স্মৃতি আজও মনে পড়ে-প্রতিদিন গোধূলী বেলায় তুমিধূলিমাখা পথ ধরেধূলার বেষ্টনীতে ধোঁয়ারঙে মিশেউত্তর মুলাইমের কাঁচাপথে হেঁটে যেতে...আমার নানাবাড়ী উত্তরমুলাইম গ্রামজন্মে বাবার মুখ দেখবোনা বলেগর্ভে নিয়েই মা চলে এসেছিলেন তার বাবার আলয়ে জন্ম,…
Oct 26, 2017
More…